শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
দুর্নীতি

যশোরে অনুমোদনহীন আমেরিকান মোটরসাইকেল উদ্ধার, গোডাউন সিলগালা।

যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের একটি গোডাউনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৭৭টি সম্পূর্ণ নতুন আমেরিকান মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় গোডাউনটি সিলগালা করা হয়েছে। ঘটনাটি শহরজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

রোববার (দুপুর) সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহাইব হাসান আকন্দের নেতৃত্বে একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ওসি (তদন্ত) সুজন কুমারসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান চালানো হয় শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪২ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত একটি গোডাউনে।

সূত্র জানায়, কয়েকদিন আগে একই স্থানে প্রাথমিকভাবে অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্টদের তিন দিনের সময় দেওয়া হয়েছিল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপনের জন্য। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও সন্তোষজনক কোনো নথি দেখানো হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার পুনরায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে দেখা যায়, গোডাউনের ভেতরে আমেরিকান ইউএন কোম্পানির ৭৭টি একেবারে নতুন মোটরসাইকেল সংরক্ষিত রয়েছে। মোটরসাইকেলগুলোতে এখনো কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর লাগানো হয়নি। তদন্ত কর্মকর্তারা মোটরসাইকেলগুলোর আমদানি সংক্রান্ত অনুমোদন, শুল্ক পরিশোধের কাগজপত্র, রেজিস্ট্রেশন ডকুমেন্টসহ প্রয়োজনীয় নথি চাইলে গোডাউন মালিক হাফিজুর রহমান শিলু তা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন।

এদিকে মোটরসাইকেলগুলোর প্রকৃত মালিক হিসেবে পরিচিত আবু সাঈদ সাবু অসুস্থতার কথা জানিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি। পরে তিনি প্রশাসনের কাছে ১০ দিনের সময় প্রার্থনা করেন বৈধ কাগজপত্র সংগ্রহ ও দাখিলের জন্য।

পরিস্থিতি বিবেচনায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিকভাবে গোডাউনটি সিলগালা করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মোটরসাইকেলগুলো জব্দ অবস্থায় সেখানেই রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ও বৈধ কাগজপত্র দাখিল করতে ব্যর্থ হলে উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলগুলো সরকারের হেফাজতে নেওয়া হবে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—এত বিপুলসংখ্যক নতুন মোটরসাইকেল কীভাবে কাগজপত্র ছাড়া গোডাউনে রাখা হলো এবং এর পেছনে কোনো বড় চক্র জড়িত আছে কি না। বিষয়টি এখন প্রশাসনের নজরদারিতে রয়েছে।

দুর্নীতি থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।