শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
দুর্নীতি

মহেশখালীর জলেয়ারমার ঘাট আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত।

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়, কক্সবাজার কর্তৃক পরিচালিত তদন্তে এ তথ্য উঠে আসে।

জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা সদস্য ফরিদুল আলম অভিযোগ করেন যে, দায়িত্বকালীন সময়ে তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য ২২ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। অনুদানের বিপরীতে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদের স্বাক্ষর যুক্ত বৈধ রশিদ ও ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদন থাকলেও উক্ত অর্থ বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাতে খরচ করা হয়।

তদন্তে আরও দেখা যায়, ১৯৯৭ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের কোনো সংরক্ষিত হিসাব পাওয়া যায়নি। বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কাইচার লিটন লিখিতভাবে জানান, সাবেক প্রধান শিক্ষকের সময়কালের আর্থিক নথিপত্র বিদ্যালয়ে সংরক্ষিত নেই।

তদন্ত চলাকালে অভিযুক্ত সাবেক প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ ও সহকারী শিক্ষক (বাংলা) তোয়াহার উদ্দিন উপস্থিত না থাকলেও পরবর্তীতে ডাকযোগে পাঠানো কাগজপত্র যাচাই করে বেতন বিলি সংক্রান্ত গুরুতর অসংগতি পাওয়া যায়। তোয়াহার উদ্দিনের চাকরিতে যোগদানের সময় প্রদত্ত এনটিআরসিএ সনদ যাচাইয়ে জাল হিসেবে চিহ্নিত হলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। পরবর্তীতে তাঁর এমপিও ইনডেক্স কর্তন করা হয় এবং চূড়ান্তভাবে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয় বলে বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কাইচার লিটন লিখিতভাবে তদন্ত কর্মকর্তাকে জানান।

তদন্তে আরও জানা যায়, জাল সনদ শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত তোয়াহার উদ্দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে জাতীয় পত্রিকায় ভূয়া বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ গ্রহণের অভিযোগও রয়েছে। বর্তমানে কর্মরত সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা লিখিতভাবে জানান, বেতন গ্রহণের বিষয়ে তাদের স্বাক্ষর সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব নুর মোহাম্মদ জাল করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

জেলা শিক্ষা অফিসারের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রাপ্ত প্রামাণ্য কাগজপত্র ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সাবেক প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তা প্রমাণিত হয়েছে। প্রতিবেদনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও আত্মসাতকৃত অর্থ ফেরতের সুপারিশ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তদন্ত প্রতিবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। ###

দুর্নীতি থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।