বিদ্যূৎ গ্রাহকগন পল্লী বিদ্যূতের বিল পরিশোধে বিলম্ব ফি, জরিমানা, মিটার ভাড়া, সংযোগ ফি,ডিমান্ড চার্জ,সার্ভিস চার্জ, মেরামত চার্জ, ভ্যাট সহ ভূতুরে বিল পরিশোধে হয়রানি, হেনস্থা, কর্তৃপক্ষের নিকট অশালীন আচরণ, মামলা,জেল-জুলুমের শিকার হয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। অপরদিকে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন পল্লী বিদ্যূতের বিরুদ্ধে জনগনের শত অভিযোগ জেনে ও শুনেও নিশ্চুপ রয়েছেন। ফলে দিন দিন চিলমারীতে জনগন বিদ্যূৎ সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে প্রতারনার শিকার হচ্ছেন। পল্লী বিদ্যূৎ কর্তৃক স্থানীয় লোক জনকে ইলেকট্রেশিয়ানের দায়িত্ব দিয়ে তাদের মাধ্যমে বিদ্যূৎ সেবার নামে নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। নতুন মিটার নেয়ার ব্যাপারে অনলাইনে আবদনের আগেই আর্থিং রডের নির্ধারীত কোম্পানীর নিকট হতে ক্রয়ের রশিদ, বাড়ি অয়ারিং করা হয়ছে মর্মে তাদেরই নির্ধারীত ইলেকট্রেশিয়ানের স্বাক্ষর সম্বলিত রশিদ, জমির কাগজ সহ বিভিন্ন তত্ত ও উপাত্ত সংযুক্ত করতে হয়। তার পরেও সে আবেদন বাতিল করে বিদ্যূতের ব্যবহার থেকে বঞ্চিত করা হয়। এতে সাধারন মানুষ অর্থ ও মানসিক দিক থেকে চরম অশান্তিতে ভুগতে থাকে। অভিযোগ রয়েছে যে, অতিরিক্ত টাকায় চুক্তি দিতে পারলে আর কোন নিয়মের বালাইয়ে পরতে হয়না। ইরি-আমন,ইরি-বোরে মৌসূমে সেচ্ পাম্পের সংযোগ পেতেও কৃষকদের বিপত্তিতে পরতে হয়। যদিও সংযোগের অনুমতি হয় সে ক্ষেত্রেও রয়েছে পাশাপাশি ও নিকতম দূরত্বে একাধিক সেচ্ বসানোর অভিযোগ। ফলে সেচ্ মালিকরা কাঙ্খিত জমি সেচে্র আওতায় আনতে না পারায় তাদেরকে হাজার হাজার টাকা লোকসান গুনতে হয়। তারপরও অবসর মৌসুমে সেচে্র ব্যবহার না থাকলে মিটার খুলে নিয়ে যাওয়া, মিটার মেরামতের নামে হাজার হাজার টাকা অতিরিক্ত ভুয়া বিল ও জরিমানা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব সীমাহীন দূর্নীতি ও অনিয়মের কোন সমাধান এবং বিচারই উপজেলা প্রশাসনের হাতে থাকেনা। এ সুযোগে পল্লী বিদ্যূৎ কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের কাউকে তোয়াক্কা না করায় সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তাদের কর্মী ও কর্মকর্তাদের মাঝে নিষ্ঠুর স্বেচ্ছাচারিতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জনগনের অর্থে পরিচালিত বাংলাদেশ বিদ্যূৎ উন্নয়ন বোর্ড থেকে বিদ্যূৎ ভাড়া নিয়ে সেই বিদ্যূৎ পুনরায় জনগনের মাঝে বিক্রয় করে কোটিকোটি টাকা মুনাফা করে জনগনকে স্বর্বশান্ত করে ফেলছে। ফলে বিদ্যূৎ ভোক্তাগন তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। চিলমারী উপজেলার কাইম অঞ্চল ছাড়াও বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে নদের তলদেশে মোটা ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যূতের সংযোগ প্রদান করে চিলমারী উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যূতায়িত উপজেলা হিসেবে ঘোষনা করা হলেও এখনও শতশত জনগন বিদ্যূৎ সুবিধা থেকে আজও বঞ্চিত রয়েছেন। তাদেরও মনে বিদ্যূতের ঝলমলে আলোয় ঘর আলোকিত করার স্বাধ আছে। কিন্তু পল্লী বিদ্যূতের সংযোগ পাওয়ার বিড়ম্বনা ও হাজারো নিয়ম, অনিয়ম আর দূর্নীতির বেড়াজালে তাদের আশা-আকাঙ্খা বেদনার মেঘে লুকিয়ে পড়েছে। তাইতো বিদ্যূৎহীন বাড়িওয়ালার বিদ্যূতের কষ্ট লাঘবে উপজেলা প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিশ্চুতা ছেড়ে সরব হওয়ার জোর অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।