শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
ক্যাম্পাস

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অনিয়ম’ তদন্তে মাঠে নামল দুদক

শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করে এবং সেই নিয়োগের ফিরিস্তিগুলো প্রকাশের দাবিতে বেশ কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর আজ সশরীরে অনিয়ম তদন্তে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি ১৫৩ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া বিতর্কের পর এ অভিযান শুরু হয়েছে।

আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে প্রাথমিকভাবে তদন্ত শুরু করে চট্টগ্রাম দুর্নীতি দমন কমিশন। এসময় দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা শুরু হয়। তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগরীর দুদকের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ।

এরআগে, গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষক ও কর্মচারী মিলিয়ে মোট ১১৩ জনকে নিয়োগ এবং পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে প্রভাষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) প্রফেসর ড. শামীম উদ্দিন খানের মেয়ে মাহিরা খান ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সাইফুল ইসলামের ভাই মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে কমপিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইইই, প্রাণিবিদ্যা, এইচআরএমসহ ৯টি বিভাগে মোট ৪৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ১০০ জন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং ৯ জন কর্মকর্তা নিয়োগের সুপারিশ অনুমোদন করেছে সিন্ডিকেট। কর্মকর্তাদের মধ্যে নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান, কমপিউটার অপারেটর, অফিস সহকারীসহ বিভিন্ন পদের নিয়োগ চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে দুদক থেকে প্রাথমিকভাবে নিয়োগের নথি যাচাই করা হচ্ছে।

এদিকে দুদক সূত্র জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সরকারি বিধি ও নিয়োগ নীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, কোথাও স্বজনপ্রীতি বা ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে কি না— এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।

ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।