শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ

রাজশাহীতে ভয়াবহ এলপিজি গ্যাস সংকট: বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না সিলিন্ডার

রাজশাহীতে হঠাৎ করেই তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের। বাড়তি দাম দিয়েও প্রয়োজনীয় গ্যাস সিলিন্ডার বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ, পাশাপাশি বিপাকে পড়েছেন হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, ডিলারদের কাছ থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। সীমিত পরিমাণে গ্যাস পাওয়া গেলেও তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়ে দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।

ভোক্তারা জানান, গেলো সপ্তাহেও যে গ্যাস সিলিন্ডার ১ হাজার ২৫০ টাকায় কেনা যেত, বর্তমানে সেটি কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি সিলিন্ডারে অতিরিক্ত প্রায় সাড়ে ৩৫০ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে। এতে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে গেছে।

নগরীর সাহেব বাজারের ক্রেতা আবদুল কাদের বলেন,

“আগে যে গ্যাস সিলিন্ডার ১ হাজার ২৫০ টাকায় কিনতাম, এখন সেটার দাম ১ হাজার ৬০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। তাও আবার সব দোকানে পাওয়া যায় না। এত বেশি দাম দিয়ে গ্যাস কেনা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য খুবই কষ্টের।”

শালবাগানের গৃহিণী শাহানা বেগম বলেন,

“বাসায় রান্নার জন্য গ্যাস ছাড়া কোনো উপায় নেই। কিন্তু দোকানে দোকানে ঘুরেও গ্যাস পাচ্ছি না। আর যেখানেই পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে দাম অনেক বেশি।”

লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা নাসরিন আক্তার বলেন,

“বাজারে যদি গ্যাসের সংকট থাকে, তাহলে সরকারকে আগে থেকেই ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা তো প্রতিদিন রান্না বন্ধ রাখতে পারি না।”

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ওমেরা ও ফ্রেশ গ্যাস ছাড়া অন্যান্য কোম্পানির এলপিজি সিলিন্ডার খুব একটা পাওয়া যাচ্ছে না। বিকল্প ব্র্যান্ড না থাকায় ক্রেতারা বাধ্য হচ্ছেন বাড়তি দামে সীমিত কয়েকটি কোম্পানির গ্যাস কিনতে।

এদিকে হোটেল ও চা দোকান মালিকরা জানান, গ্যাসের এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে তাদের ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই লোকসান গুনে ব্যবসা চালাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

তবে এ বিষয়ে গ্যাস সিলিন্ডারের ডিলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ভোক্তাদের দাবি, দ্রুত বাজার তদারকি জোরদার করে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, না হলে সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।