ঘটনা স্থান ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা ছাপড়হাটী ইউনিয়নের দক্ষিণ মরুয়াদহ গ্রামে হাবিজার রহমানের মেয়ে নুর হাওয়া আক্তার ধলির সঙ্গে একই উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর রাজিবপুর গ্রামের আবুল কাশেম মিয়ার ছেলে মুন্নাফ মিয়ার আনুমানিক দুই- আড়াই বছর পূর্বে শুভ বিবাহ সম্পুর্ণ হয়।
মঙ্গলবার ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে মুন্নাফ ভাই এর নতুন মোটরসাইকেল নিয়ে আনুমানিক সন্ধ্যা ৭:৩০ ঘটিকার সময় শশুর বাড়িতে বেড়াতে আসে। এমতাবস্থায় মুন্নাফের শশুর বাড়ির লোকজন মুন্নাফ কে বাড়িতে যেতে না দিয়ে তাকে গাড়িসহ অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে মুন্নাফের বাবাকে ফোন করে মুন্নাফ কে অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয় টি অবগত করেন। রফাদফাকারী বিএনপি নেতা তছলিম উদ্দিন বাবলু মাষ্টার মুন্নাফের বাবার সঙ্গে বিষয় টি রফাদফার জন্য সর্ব মোট, ২,৯০,০০০/ ( হাজার) টাকা রফাদফা করেন। এর মধ্যে শশুর এর কছে ১,০০০০০/ এক লক্ষ টাকা জামাই পাওনা থাকায়, সর্ব মোট ২,৯০,০০০/ ( হাজার টাকার মধ্যে থেকে ১,০০০০০/ এক লক্ষ টাকা বাদ দিয়ে ১,৯০,০০০/ ( হাজার) টাকা রফাদফাকারী গ্রহন করেন। তসলিন উদ্দিন বাবলু ১,৯০,০০০/( হাজার টাকার মধ্যে, মেয়ে পক্ষের রফাদফাকারী ছাপড়হাটী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মোকলেছুর রহমান মুকুল মাষ্টার কে ১,৭০,০০০/( হাজার) টাকার মেয়ের পরিবার কে দেওয়ার জন্য প্রদান করেন। ছেলে পক্ষের কাছ থেকে মোকলেছুর রহমান মুকুল মাষ্টার নিজ হাতে ৩০,০০০/ (হাজার) টাকা কেটে বাকী ১,৪০,০০০/ হাজার টাকা মেয়ে পক্ষের অভিভাবক আজাহার মাষ্টার কে প্রদান করেন। মেয়ে পক্ষ টাকা নেওয়ার পর ভোর রাতে ছাপড়হাটী ইউনিয়ন বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে মেয়েকে দিয়ে ছেলে কে খোলা তালাক দেওয়া হয়। এবিষয়ে ছাপড়হাটী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম মদব বলেন, যে মেয়েকে নিয়ে এই ঘটনা সে আমার অতি নিকটতম আত্মীয় হয়। এলাকায় যে কোন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে, সে জন্য তাদের দুই পরিবার কে জিম্মি করে এতো টাকা হাতিয়ে নেওয়া আমি মনেকরি টিক হয়নি এলাকায় এ বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।




এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।