৩৬তম সিনেট অধিবেশন ৮ আগস্ট
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৩৬তম সিনেট অধিবেশন ঘিরে নিমন্ত্রণপত্র বিতরণে অদক্ষতা ও অদূরদর্শীতার ছাপ দেখা গেছে। সিনেট অধিবেশনে যোগদানের জন্য অজ্ঞাতনামা চিঠিতেই ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদেরকে দাওয়াত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আগামী শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা ১১টায় চবির প্রশাসনিক ভবনে আয়োজিত হবে ৩৬তম সিনেট অধিবেশন। তবে এর আগে চবিতে ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নাম-পরিচয়যুক্ত নিমন্ত্রণপত্র দেওয়া হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে নাম-পরিচয়হীন অজ্ঞাতনামা চিঠি প্রেরণ করেছেন চবি প্রশাসন।
স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান জাবিতে যেভাবে সাংবাদিকদের নিমন্ত্রণ জানাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
চবি সাংবাদিকদের অভিযোগ, রাজধানী ঢাকার দুই স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটসহ গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনের পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতি, ছাত্রসংসদ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নাম, পদবী ও গণমাধ্যমের নাম সংবলিত চিরকুট প্রেরণ করা হলেও চবিতে এর ভিন্নতা রয়েছে। সাংবাদিকদের সম্মানে চবি প্রশাসন চরম অদক্ষতা ও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন বলে অভিযোগ সাংবাদিকদের।
চবির হল সংসদ নেতৃবৃন্দকে প্রেরণকৃত চিঠি
চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. সফিকুল ইসলাম বলেন, “নিমন্ত্রণের বিষয়টি আমাদের তথ্য সেলের দায়িত্ব। এইমাত্র তথ্য সেলকে বললাম আপনারা এটি কি করলেন। আর তাছাড়া রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন, চাকসু ও সাংবাদিকদের মধ্যে তাদের সভাপতি, সেক্রেটারিকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। তাদের মাধ্যমে অন্য সব সাংবাদিকদের সাধারণ দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। সকল সাংবাদিককে আলাদাভাবে দাওয়াত দেওয়া হয়নি।”





এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।