যদি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো আগামীর বাংলাদেশের উপযোগী করে রিফর্ম করা না হয়, তাহলে আগামী দিনে জনগণের বুকে আবারও গুলি চালাবে পুলিশ। গোয়েন্দা সংস্থা বা র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান আবারও চোখ বেঁধে আয়নাঘরে নিয়ে বন্দি করে রাখবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শহিদ আবদুর রব হল মাঠে চাকসুর দুইদিনের জাগ্রত জুলাই কালচারাল উৎসবের ১ম দিনের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আজকে যারা ক্ষমতায় এসেছেন তারা বলছেন রিফর্ম করবেন, কিন্তু এটি নিয়ে জনগণের মধ্যে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে। তারা যে নামেই করুন, যে পদ্ধতিতেই করুন, রিফর্ম করতেই হবে। এটি জুলাইয়ের অঙ্গীকার, এটি জুলাইয়ের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা, কেননা এটি জুলাইয়ের গণরায়ের প্রতিফল।
রিফর্ম আমাদের করতে হবে, তা আমাদের নিজেদের স্বার্থেই, আগামীর প্রজন্মের স্বার্থেই। আর যদি তা না করা হয় তাহলে এই বিপ্লবের আত্মদান ব্যর্থ হয়ে যাবে, বলেন সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
চাকসুর সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক হারেস মাতব্বরের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান, উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম, চবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহিদ সরওয়ার্দী, চবি ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, চাকসুর সাবেক ভিপি জসীমউদ্দিন সরকার। এ ছাড়া বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।





এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।