চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জুন) ভোর ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা প্রধান সড়কের নওদা বন্ডবিল কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন স্থানে মাদক, চোরাচালান ও ডাকাতি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আলমডাঙ্গা থানার এসআই শোভন কুমার কুন্ডু সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মোবাইল ডিউটি পালনকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, একদল ডাকাত চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা মেইন রোডের পাশে ডাকাতির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে আটক করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার গাড়াডোব গ্রামের সুজন আলী ওরফে সুজন শেখ (৩৫), কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার কাকিলাদহ গ্রামের মো. শরিফুল ইসলাম (৪৫) এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর বোয়ালদহ গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন ওরফে আনা (৫২)।
অভিযানকালে তাদের হেফাজত থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। জব্দকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে ২১ ইঞ্চি ও ২৪ ইঞ্চি লম্বা দুটি আধুনিক চাইনিজ কুড়াল, ৩৩ ইঞ্চি লম্বা একটি লোহার হাসুয়া, একটি ব্যাটারিচালিত পাখি ভ্যান, ২০ হাত নাইলনের রশি এবং একটি সিমেন্টের বস্তা।
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, গ্রেফতারকৃতদের সঙ্গে আরও পাঁচজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জন ডাকাত এই চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত, পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং ডাকাত চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।