“মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে বাংলাদেশ এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম এসইডিপি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এর আয়োজনে এবং চিলমারী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের বাস্তবায়নে উপজেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ, সাইন্স প্রোজেক্ট এন্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেচিং প্রোগ্রাম পালিত হয়েছে।
উদ্বোধন শেষে অতিথিরা বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্প সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ধারণা উপস্থাপন করে।
শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলা অডিটোরিয়াম হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহমুদুল হাসান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান স্টল পরিদর্শন ও বক্তব্য রাখেন, কুড়িগ্রাম জেলা সহকারী ও চিলমারী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল হাই, থানাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নুর ই আলম বাদশাসহ আরো অনেকে। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বিকল্প নেই।
M
শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি গবেষণামুখী ও সৃজনশীল চিন্তায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন কিছু আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের আগ্রহ সৃষ্টি করে এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানে প্রযুক্তিনির্ভর চিন্তাভাবনা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। তারা শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চা, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে আরও বেশি উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ করে। বিচারকদের মূল্যায়নে চিলমারী সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা প্রথম, থানাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দ্বিতীয় ও শরীফের হাট এম,ইউ উচ্চ বিদ্যালয় তৃতীয় স্থান অর্জন করে।
অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী দলগুলোর হাতে সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় চিলমারী সিনিয়র আলিম মাদরাসার পক্ষে ক্রেষ্ট গ্রহন করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ নাজমুল হক, শিক্ষক রাকিব মিয়া, শিক্ষক এমদাদুল হক, থানাহাট বলিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ তৈয়ব আলী ও শরিফেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রউফ, বজরা তবকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মশিউর রহমান প্রমূখ।




এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।