শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
শিল্প-সাহিত্য

ঝিনাইদহে এক শিক্ষিকার শিল্পচর্চা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা

ঝিনাইদহ– ঝিনাইদহে মাওয়া জান্নাত নামে এক স্কুল শিক্ষিকার একটি শিল্পকর্ম ও সাহিত্যধর্মী লেখা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিষয়টি ঘিরে নানামুখী মতামত ও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, যা শিল্প, রুচিবোধ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করেছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে চারুগৃহ স্কুল–এর ওই শিক্ষক, যিনি নিজেকে বাংলাদেশ বেতার–এর তালিকাভুক্ত আবৃত্তিকার ও কবি হিসেবে পরিচয় দেন, তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি বিখ্যাত চিত্রকর্মের ছবি ও রূপকধর্মী সাহিত্যিক লেখা শেয়ার করেন। তিনি জানান, এটি শিল্প ও সাহিত্যচর্চার অংশ হিসেবেই প্রকাশ করা হয়েছে।

পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মতামত দেন। কেউ কেউ বিষয়টি শিল্প ও কাব্যিক প্রকাশের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার আহ্বান জানান, আবার কেউ কেউ শিক্ষকদের সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করেন। ফলে বিষয়টি ইতিবাচক বিতর্ক ও সংলাপের জন্ম দেয়।

এ বিষয়ে মাওয়া জান্নাত বলেন, “আমি একজন শিল্প ও সাহিত্যচর্চাকার মানুষ। আমি যে চিত্রকর্মটি শেয়ার করেছি, তা আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একটি শিল্পকর্ম। আমার লেখা রূপকধর্মী, যা শিল্পীসত্তা ও ভাষার স্বাধীনতার অংশ। ভিন্নমত থাকতেই পারে, সেটিও গণতান্ত্রিক সমাজের সৌন্দর্য।”

এদিকে চারুগৃহ স্কুলের প্রধান শিক্ষক আরেফিন অনু জানান, “মাওয়া জান্নাত আমাদের প্রতিষ্ঠানে একজন দায়িত্বশীল ও দক্ষ শিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। শ্রেণিকক্ষের বাইরে ব্যক্তিগত শিল্পচর্চা তার নিজস্ব বিষয়। শিক্ষক হিসেবে তার পেশাগত আচরণ নিয়ে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই।”

সামগ্রিকভাবে, ঘটনাটি শিক্ষকসমাজে শিল্পচর্চা, ব্যক্তিগত মতপ্রকাশ ও সামাজিক সংবেদনশীলতার ভারসাম্য নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সচেতন 

শিল্প-সাহিত্য থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।