শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
শিল্প-সাহিত্য

রাজশাহীবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: উদ্বোধনের অপেক্ষায় প্রথম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

রাজশাহীবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। অবশেষে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে রাজশাহীর প্রথম ‘কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার’। মহানগরীর পুরাতন সার্ভে ইনস্টিটিউটের নির্ধারিত প্রায় এক একর জায়গাজুড়ে নান্দনিক এই মিনারটির নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষা।

​নির্মাণ শৈলী ও ব্যয়

রাজশাহী জেলা পরিষদের উদ্যোগে ও তত্ত্বাবধানে প্রায় ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে এই বিশাল স্থাপনাটি নির্মিত হয়েছে। ২০২০ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন প্রধান কৌঁসুলি ও প্রখ্যাত ভাষাসৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম গোলাম আরিফ টিপু এই মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

​কেন এই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার?

রাজশাহীবাসীর দীর্ঘদিনের আক্ষেপ ছিল একটি সুনির্দিষ্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের। স্থানীয় বাসিন্দা মিলনের মতে, “এতদিন রাজশাহীর সাধারণ মানুষকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে রাজশাহী কলেজে যেতে হতো। সেখানে ভিড় আর জায়গার অভাবে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো। এই শহীদ মিনারটি হওয়ায় সেই ভোগান্তি যেমন কমবে, তেমনি এটি আমাদের একটি বড় অর্জনের প্রতীক হয়ে থাকবে।”

​উদ্বোধন নিয়ে সবশেষ তথ্য

রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা জানান, সোমবার পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত কাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি বিশেষ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আসন্ন মহান ভাষা দিবসেই (২১ ফেব্রুয়ারি) শহীদ মিনারটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও প্রচারণার বিষয়টি জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবেন।

​প্রত্যাশার প্রতীক

নগরবাসী ও বিশিষ্টজনরা মনে করছেন, এই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কেবল একটি স্থাপনা নয়; বরং এটি ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে দেশপ্রেম ও প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে।

​প্রতিবেদনের মূল আকর্ষণসমূহ (একনজরে):

  • ​স্থান: পুরাতন সার্ভে ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণ, রাজশাহী।
  • ​জমির পরিমাণ: প্রায় ১ একর।
  • ​নির্মাণ ব্যয়: ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
  • ​ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০।
  • ​বর্তমান অবস্থা: নির্মাণ সম্পন্ন, উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে
শিল্প-সাহিত্য থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।