বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তাঁর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক-এ সভাপতিত্ব করেছেন। এটি তাঁর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম, যা দেশের প্রশাসনিক ও নীতি নির্ধারণে নতুন সরকারের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে গুরুত্ব বহন করছে।
বুধবার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে মন্ত্রিসভা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন এবং তা সরকারি কর্মঘণ্টার নিয়ম অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সংগঠিত হয়। বৈঠকটি নতুন সরকারের নীতিমালা, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও তৎকালীন প্রাথমিক সিদ্ধান্তগুলোকে সামনে রেখে পরিচিতিমূলক ও পরিকল্পনামূলক আলোচনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এদিন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভারের জাতীয় শহীদ মিনারে শাহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং পরে সচিবালয়ে এসে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দুপুরে তিনি প্রথমবারের জন্য সচিবালয়ের কার্যালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও শীর্ষ কর্মকর্তা-সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এরপর বিকেল ৩টায় নতুন গঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বৈঠক শুরু হয়, যেখানে সরকারের প্রাথমিক কর্মসূচি, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক অগ্রাধিকার এবং জনস্বার্থে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর রূপরেখা আলোচনা হওয়ার কথা ছিল।
এটি উল্লেখযোগ্য যে তারেক রহমান বাংলাদেশে ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং তাঁর নেতৃত্বে একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে, যাতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীসহ মোট ৪৯–৫০ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত।
নতুন সরকারের এই প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক দেশজুড়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ এটি নতুন সরকারের পরিকল্পনা ও কর্মপরিকল্পনার প্রথম দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।