ঘটনাস্থল ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের মন্ডলের হাট বাজারের পশ্চিম উত্তর পার্শে হিন্দু পাড়ায় অভিজিৎ রায় পিতাঃ রাধিকা বর্মন বসতবাড়ি সংলগ্ন প্রায় ১০০ শতক ফসলি জমির উর্বর মাটি ভেকু দিয়ে কেটে কাকড়া গাড়ি দ্বারা পরিবহন করে জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়াই পুকুর নির্মাণ করেন।
উক্ত ফসলী জমির উর্বর মাটি জমির মালিক পার্শ্ববর্তী ইটভাটা এবং বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রয় করেন। এ বিষয়ে অবৈধ ভাবে পুকুর খনন বন্ধে এলাকাবাসীর পক্ষে জাহিদুল ইসলাম মেম্বার সুন্দরগঞ্জ সহকারী কমিশনার ভূমি মহোদয় কে দ্রুত সময়ের মধ্যে দাইদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মৌখিকভাবে ফোনে অবগত করেন।মৌখিক ভাবে অবগত করার পরে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরবর্তীতে পরের দিন রাতে আবারো মাটিকাটা শুরু হলে তাৎক্ষণিক ভাবে ইমেইলে সুন্দরগঞ্জ সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ দাখিল এর পরেও অভিযোগকারী সুন্দরবন সহকারী ভূমি কমিশনার বরাবর একাধিকবার ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে অভিযোগকারী সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় কে উক্ত বিষয়ে অবগত করেন এবং তিনি আশ্বাস করে বলেন যে, ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।দুঃখের বিষয় লিখিতভাবে অভিযোগ দিয়েও সে রাতেও দায়ীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় জমির মালিক নির্বিধায় তার ফসলি জমির উর্বর মাটি বিক্রয় করে পুকুর নির্মাণ করেন।এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার ভূমির সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ফোন ✆ করা হলে রিসিভ করেন নি।






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।