তেল শুন্য ভাসমান তেল ডিপো পুনঃরায় চালুকরণ ও স্থায়ীকরণের দাবীতে সোমবার চিলমারীতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করা হয়। তেল ডিপো স্থায়ীকরনের জন্য সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে তাদের দাবী বস্তবায়ন করার জন্য স্বাক্ষর করেন। জানা যায় চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদে অবস্থিত ভাসমান তেল ডিপো যমুনা অয়েল কোম্পানী লিঃ ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিঃ এর বার্জ দুটি প্রায় ৮ বছর ধরে তেল শূন্য অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে, এ এলাকার কৃষি খাতে সেচ প্রকল্প মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে। চলতি মৌসুমে ইরি বোরো চাষ ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ১৯৮৯ সালে চিলমারীতে মেঘনা ও যমুনা কোম্পানীর দু’টি ভাসমান তেল ডিপো স্থাপিত হয়ে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও লালমনিরহাট জেলায় জ্বালানী তেল সরবরাহ করে আসছে। ডিপো দু’টির অনুমোদিত ২২জন ডিলার সরকারীভাবে প্রদত্ত দরে জ্বালানী তেল ক্রয় করে এসব এলাকার খুচরা বিক্রেতাদের নিকট সরবরাহ করত। ২০১৮ সালে ৮ জানুয়ারি তারিখে যমুনা অয়েল কোম্পানী লিঃ ও ২২ ফেব্রুয়ারি তারিখে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড এর তেল শেষ হওয়ার পর থেকে প্রায় ৮ বছর ধরে নানান তাল-বাহানা করে ডিপো দু’টিতে তেল সরবরাহ বন্ধ রাখে।
ডিপো সংশ্লিষ্টগন জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা হ্রাসের কারণে তেল ভর্তি জাহাজ আসতে পারেনা, ফলে তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। উত্তরবঙ্গ ট্যাংক-লড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজুল হক এ প্রতিনিধিকে জানান, ডিপোটি স্থায়ী করণের ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসক মহোদেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের মহাব্যবস্থাপক বরাবার ডিপোটি তেল সরবরাহের জন্য চিঠি প্রদান করলেও অজ্ঞাত কারণে তা বন্ধ রয়েছে। গনস্বাক্ষর অনুষ্ঠান চলাকালীন শ্রমিক নেতা আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ডিপো অতিস্বত্তর চালু না হলে ঘেড়াও কর্মসূচি পালন করা হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে স্বাক্ষর প্রদান করেন, প্রেসক্লাব চিলমারী এর সভাপতি সাংবাদিক হুমায়ুন কবির, সাংবাদিক বদরুদ্দোজা বুলু, জাতীয়তাবাদি সাংবাদিক ফোরামের সাধারন সম্পাদক আবু ওবায়দুল হক খাজা,উত্তরবঙ্গ ট্যাংক-লড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তি যোদ্ধা রিয়াজুল হক প্রমূখ।






এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।