শিরোনাম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশে এমপি, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় পিকআপ বেরোবিতে শুরু হলো ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের যাত্রা সুন্দরগঞ্জে জামাই শশুর বাড়িতে এসে অবরুদ্ধ: রফাদফায় বিএনপি নেতাদের পকেটে ঢুকলো পঞ্চাশ হাজার টাকা বিজ্ঞানচর্চায় শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে পিস্তল গুলি এবং ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার নেপিয়ার ঘাস চাষে বদলে যাচ্ছে ধুনটের কৃষি অর্থনীতি ময়মনসিংহে একই পরিবারের চারজনসহ মোট সাতজন সিএনজি বাস মুখোমুখিতে নিহত হাসিনাকে ফেরাতে ৭ বেরোবি শিক্ষকের তৎপরতা, ২ মাসেও নেই তদন্তের অগ্রগতি জাতীয়করণকৃত কলেজে অধ্যক্ষের যোগদান নিয়ে প্রশ্ন, পূর্বধলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা নোবিপ্রবির টিএইচএম বিভাগের নতুন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিনু ফাতেমা
অপরাধ

হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট পরিচয়ে প্রতারণা ৮৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ, অভিযানে গ্রেপ্তার ৩

খুলনায় হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে এক পিকআপ চালকের কাছ থেকে ৮৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তিন সদস্যের একটি প্রতারক চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), খুলনা জেলা ইউনিট।

গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে মাগুরা সদর থানাধীন ঢাকা রোড এলাকার একতা কাঁচা বাজার আড়ত সংলগ্ন হোটেল রয়েল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার একিন সরদারের ছেলে এসএম শাহিন (৫০), মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার মদন মোহনপুর এলাকার মোঃ নাজমুল হাসান (৩২) এবং একই থানার মোঃ লিয়াকত আলীর ছেলে ওবায়দুল বিশ্বাস (৩৪)।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ শুকুর আলী (৩৮) পেশায় একজন পিকআপ ড্রাইভার। পাশাপাশি তার মালিকানায় থাকা কয়েকটি অটোরিকশা দৈনিক ভাড়াভিত্তিতে চালানো হয়। গত ৮ জানুয়ারি শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও পিকআপ চালক শুকুর আলীর এক অটোরিকশা চালকের সাথে পরিচয় হয় জনৈক তরিকুল ইসলামের। তরিকুল নিজেকে হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট পরিচয় দিয়ে দাবি করেন যে, তিনি নিলামের মাধ্যমে কম দামে অটোরিকশার ব্যাটারি কিনে দিতে পারবেন। বিশ্বাস অর্জনের জন্য তিনি পুলিশের লোগো দেওয়া ভিজিটিং কার্ডও ব্যবহার করেন।

তার কথায় বিশ্বাস করে শুকুর আলী ব্যাটারি কেনার আগ্রহ দেখান। প্রতারক চক্রটি প্রথমে তার কাছ থেকে অগ্রিম হিসেবে ৩ হাজার টাকা নেয়। পরবর্তীতে গত সোমবার তাকে সোনাডাঙ্গা এলাকায় ডেকে নিয়ে ব্যাটারির চালান দেওয়ার নাম করে আরও ৮২ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। টাকা নেওয়ার পর তারা শুকুর আলীকে বয়রা পুলিশ লাইনের সামনে অপেক্ষা করতে বলে কৌশলে সটকে পড়ে।

এরপর ভুক্তভোগী মোঃ শুকুর আলী পিবিআই খুলনা জেলা কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় পিবিআই আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ডাটা বিশ্লেষণ করে প্রতারক চক্রের অবস্থান শনাক্ত করে।

অভিযানের সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে বিভিন্ন মডেলের ৪টি মোবাইল ফোন, একটি ওয়াকিটকি সেট, পুলিশের লোগো সংবলিত ফর্ম এবং সার্জেন্ট মোঃ তরিকুল ইসলামসহ একাধিক নাম ব্যবহার করা ভুয়া ভিজিটিং কার্ড উদ্ধার করা হয়।

খুলনা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন, পিপিএম (সেবা) জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত পরিচালনা করা হয়। প্রযুক্তিগত সহায়তায় প্রতারকদের শনাক্ত করে মাগুরা ও যশোর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ তারা বিভিন্ন মামলার পেছনে খরচ করায় কোনো টাকা উদ্ধার সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় প্রতারণার মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
কমেন্ট

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।