সার নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কৃষকদের জিম্মি করার অভিযোগে বাজার মনিটরিং জোরদার করেছে প্রশাসন। কৃষকের ঘাম ঝরানো মাঠে যখন বোরো আবাদ বাঁচানোই বড় চ্যালেঞ্জ, তখন সুযোগসন্ধানী একটি শ্রেণি বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকদের কষ্ট আরও বাড়িয়ে তুলছে—এমন বাস্তবতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আমুয়াকান্দা বাজার-এ পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির দায়ে শফিক এন্টারপ্রাইজ-কে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম এই জরিমানা আরোপ করেন।
অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার নাদিয়া ফেরদৌসি, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামরুল হাসান কামুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো ও ন্যায্য দামে সার না পেয়ে তারা বাধ্য হয়ে বেশি দামে সার কিনছেন। এতে একদিকে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে লোকসানের শঙ্কায় পড়ছেন প্রান্তিক কৃষকেরা। অনেক কৃষক জানান, “সার না পেলে ফসল থাকবে না, আর বেশি দামে কিনলে লাভ থাকবে না—দুই দিকেই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত।”
এ বিষয়ে ফুলপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ নাদিয়া ফেরদৌসি বলেন,“কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় এবং বেশি দামে সার বিক্রির মতো অপরাধ বন্ধ করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।”
কৃষকের মাঠে ঘাম ঝরানো পরিশ্রম যাতে মুনাফাখোরদের হাতে জিম্মি না হয়—সেজন্য কঠোর নজরদারি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।





এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।