চিলমারীতে জোড়গাছ পশুরহাটে গত বুধবার অতিরিক্ত খাজনা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটেছে।
জানাগেছে, জোড়গাছ পশুর হাটে মৎসজীবি দলের মভাপতি আমজাদ হোসেন ও চিলমারী সরকারী ডিগ্রী কলেজ শাখার বিএনপি ছাত্রদলের ফিরোজ ও আবিদের নেতৃত্বে সচেতন ক্রেতা -বিক্রেতারা অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের বিরুদ্ধে তিব্র প্রতিবাদ জানায়। সেখানে ইজারাদারদের সাথেও তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে উপজেলার থানাহাট বাজার ভোজন বাড়ি হোটেলের সামনে খাজনা আদায়কারী পক্ষের সাদ্দাম হোসেন ও স্বেচ্ছাসেবক দলের হাসু মিয়ার সাথে প্রতিবাদকারী ফিরোজ ও আবিদের বাকবিতন্ডা হয়।
প্রত্যক্ষ দর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ইজারদারের পক্ষের সাদ্দাম ও স্বেচ্ছাসেবক দলের হাসুমিয়া পশুরহাটে প্রতিবাদকারী ছাত্রদলের ফিরোজ ও আবিদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। প্রতিবাদকারী দু’জন তারাও অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের বিষয়টি অন্যায় এবং বিএনপি দলীয় সূনাম হানীকর বলে প্রতিবাদ জানায়।
তাৎক্ষনিক ভাবে খবরটি সবুজ পাড়ায় পৌছলে বিকেল ৫ টায় সাদ্দাম গ্রুপকে আমজাদ গ্রুপের লোকজন এসে খুজতে থাকে। ঘটনা টেরপেয়ে সাদ্দাম গ্রুপের লোকজন এলাকা ত্যাগ করে। পরবর্তিতে সন্ধ্যার পর ৭ টা ৩০ মিনিটে সাদ্দাম গ্রুপের লোকজন লাঠি-শোঠা নিয়ে উপজেলার রনিমোড় এলাকায় আমজাদ গ্রুপের লোজনকে খুজতে থাকে। এ সময় বজারে আসা লোকজন, পথচারী ও দোকানদারদের মাঝে আতংঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। চিলমারী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
M





এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।