‘শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’

প্রকাশিত: ৯:৪৮ অপরাহ্ণ, মে ১, ২০২১

শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহমান।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫০তম সুবর্ণ জয়ন্তী বার্ষিকীতে ন্যায্য পাওনা চাইতে গিয়ে গুলি খেয়ে জীবন দেয়ার মত ঘটনা আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে। বাঁশখালীতে শ্রমিকদের বেতন চাওয়ায় তাদের গুলি করে হত্যার মতো ঘটনা যেমন ঘটছে তেমনি জীবন যাত্রার ব্যয় পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধির পরেও দেশের চা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদেরকে নামে মাত্র মজুরিতে কাজ করতে হচ্ছে।

শনিবার ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উদ্যোগে রাজধানীর পল্টন মোড়ে রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নেতৃবৃন্দ সরকার ৫০ লাখ মানুষকে প্রণোদনা আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছে। সে তালিকায় দেশের শ্রমিক শ্রেণির মানুষকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রণোদনাসহ সকল ধরণের সহযোগিতার করার দাবি জানান।

হাফেজ মাওলানা ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, মহামারি করোনায় বিপর্যস্ত জনগণের পাশে সরকারসহ দেশের বিত্তবানদেরকে দাড়াতে হবে। করোনার ফলে শ্রমিক শ্রেণির মানুষই সবেচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কাজ কর্ম সচল না থাকায় এ শ্রেণির মানুষ বিপর্যস্ত জীবন যাপন করছে। সরকারের প্রণোদনায় শ্রমিক শ্রেণির মানুষকে বেশি অগ্রাধিকার দিতে হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে দুর্নীতি দিন দিন বৃদ্ধি পেয়ে এক শ্রেণির লুটেরা আঙ্গুল ফুলে বটগাছ হচ্ছে। অপর দিকে খেটে খাওয়া শ্রমিকরা অমানুষিক পরিশ্রম করেও ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অধিকার ও ন্যায্য দাবীর কথা বললেই তাদের বুকে গুলি চালিয়ে হত্যা এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হয়। যা কোন সভ্যদেশে চলতে পারে না। এসকল অবস্থা থেকে আমরা বলতে পারি শ্রমিকদের নায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমান, সেক্রেটারী জেনারেল হাফেজ মাওলানা ছিদ্দিকুর রহমান, জয়েন্ট সেক্রেটারী জেনারেল শহিদুল ইসলাম কবির, মুফতী মোস্তফা কামাল, এইচ এম রফিকুল ইসলাম, আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক আব্দুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ ওমর ফারুক, মাওলানা শাহ জামাল, মুফতী ছিদ্দিকুর রহমান, মাওলানা এইচ এম সাইফুল ইসলাম, ওমর ফারুক যশোরী প্রমুখ।

মন্তব্য করুন