তরমুজ আর বাঙালীদের চরিত্র একই রকম: ব্যারিস্টার সুমন

প্রকাশিত: ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৯, ২০২১

ইসমাঈল আযহার
পাবলিক ভয়েস

বাংলাদেশ যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেছেন, তরমুজ আর বাঙালীদের চরিত্র একই রকম। অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোতে রমজান মাসে মাল-জিনিসের দাম কমে আর বাংলাদেশে ৯৫ শতাংশ মুসলিম কিন্তু রমজান আসলে মাল-জিনিসের দাম তিন চার গুণ বেড়ে যায়।

তরমুজের অস্বাভাবিক দাম নিয়ে বুধবার ফেসবুক লাইভে এসে সুমন আরও বলেন, রমজান আসলে ব্যবসায়ীরা মনে করেন- এটাই সুযোগ, পার্টিকে যতো পারি ঠকাই। এই হল পবিত্র রমজানে আমাদের বাংলাদেশিদের ইবাদাতের নমুনা।

তিনি বলেন, সারাজীবন আমরা তরমুজ কিনেছি পিছ হিসেবে, এখন এই তরমুজ নাকি কিনতে হয় ৮০ টাকা কেজি দরে। আমি তো দু’দিন ধরে তাওবা করে ফেলেছি যে, তরমুজ যতদিন কেজি দরে বিক্রি হওয়া বন্ধ না হবে- আমি তরমুজ খাবো না। তরমুজ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি, দামি জিনিসও খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি।

তরমুজ চাষীদের জন্য আক্ষেপ করে সুমন বলেন,  তিন চার কেজি একটা তরমুজ বিক্রি হচ্ছে প্রায় সাড়ে তিনশ টাকা। কিন্তু এই তরমুজটার জন্য চাষী হয়ত ৮০ টাকাও পায়নি। ঢাকা আসতে আসতে এভাবে দাম বেড়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, রমজান মাসে এমন দুই নাম্বার ব্যবসা করছেন আপনাদের ইবাদাত কবুল হবে কি করে! সুমন পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একজনের কাছে তরমুজের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে মহিলা বলেন, তাদের পকেটে দু’নাম্বার টাকা রয়েছে। পাঁচশ টাকা দামে তারা কিনে নেবে। তাদের সমস্যা কোথায়!!

ব্যারিস্টার বলেন, কমপক্ষে রমজানে হলেও আমাদের চরিত্র ঠিক করা দরকার। করোনা তো  কাউকে ছাড় দিচ্ছে না, তারপরও কি আপনাদের (ব্যবসায়ীদের) চাল-চরিত্র ঠিক হবে না। চরিত্রের কিছুটা উন্নতি বলে বাঁচবেন। শুধু মাস্ক পরে করোনা থেকে বাঁচবেন না। কিছু পাপের সংখ্যা কমান, পাপ কমালে এমনিই বেঁচে থাকবেন।

আরও পড়ুন-

তরুণীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ‘বসুন্ধরা’র এমডির বিরুদ্ধে মামলা

বিয়ে ছাড়াই মুনিয়ার ফ্ল্যাটে নিয়মিত যেতেন বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি

‘হুজুর হলে সায়েমের বিরুদ্ধে হুমড়ি খেয়ে পড়তো মিডিয়াগুলো’

অভিমান ভুলে হিন্দুদের সৎকার করছেন ভারতের মুসলিমরা

তীব্র গরমে পবিত্র কাবা প্রাঙ্গণে শান্তির বৃষ্টি

উল্লেখ্য, তীব্র গরমকে পুঁজি করে লাগামহীন হয়ে পড়েছে তরমুজের বাজার। অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে দাম। সাধারণ মানুষের লাগালের বাইরে চলে গিয়েছে। কোথাও কোথাও ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হলেও বাজার নাগালের ভেতরে আনা যায়নি। অনেক ব্যবসায়ীই দু‘ভাবে তরমুজ বিক্রি করছে। পিছ হিসেবে নিলেও তারা অনুমান করে কেজির দামই চাইছে। এতে অনেক সময় কেজির দামের চেয়েও বেশি দাম পড়ছে।

আইএ/

মন্তব্য করুন