সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সায়েম-মুনিয়ার ফোনালাপ

প্রকাশিত: ২:৪২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৭, ২০২১

ইসমাঈল আযহার
পাবলিক ভয়েস

রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়া নামের এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। 

তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন মুনিয়ার বড় বোন।

এরইমধ্যে সায়েম ও মুনিয়ার  একটি ফোনালাপ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে সায়েমকে খুব বাজেভাবে গালাগালি দিতে শোনা গেছে মুনিয়াকে। ৫০ লাখ টাকা চুরির কথা বললে মুনিয়া কান্নারত কণ্ঠে বলছেন, আমাকে এমন অপবাদ দিয়েন না।

মুনিয়া অন্তঃস্বত্তা ছিলেন কিনা সে প্রশ্নও ওঠেছে। তার ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর অনেক প্রশ্নের জবাব মিলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গুলশানে ১ লাখ টাকা ভাড়ায় ফ্ল্যাটে থাকতেন কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়া।  প্রেমের সম্পর্কের জেড়ে তার ফ্ল্যাটে নিয়মিত যাতায়াত ছিল সায়েমের।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর মোসারাত জাহান মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার হয় তার ফ্ল্যাট থেকে। ঘরে ফ্যানের সাথে তার মরদেহ ঝুলতে দেখা যায়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মেয়েটির সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের সম্পর্ক দুই বছরের। এক বছর মেয়েটিকে বনানীর একটি ফ্ল্যাটে রাখেন। গত মার্চে গুলশানের এই ফ্ল্যাটে ওঠেন মেয়েটি।

গত ২৩শে এপ্রিল ইফতার পার্টি হয় ওই বাসায়। ওই পার্টির ছবি ফেসবুকে আপলোড করা নিয়ে মুনিয়ার সঙ্গে তানভীরের মনোমালিন্য হয়। পরে মেয়েটি তার বোনকে ফোন করে জানান, তিনি ঝামেলায় পড়েছেন।

২১ বছর বয়সী মুনিয়ার বাড়ি কুমিল্লা শহরে। তার পরিবার সেখানেই থাকে। গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নাজমুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে মুনিয়ার সম্পর্ক ছিল।

তিনি ফ্ল্যাটে যাতায়াত করতেন বলেও আমরা জানতে পেরেছি। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও মোসারাতের ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইসগুলো জব্দ করেছে।

আইএ/পাবলিক ভয়েস

মন্তব্য করুন