সাংস্কৃতিক চিন্তাশক্তি জোরালো না হলে রাজনৈতিক লড়াইয়ে পরাজিতই থেকে যাবো

প্রকাশিত: ৪:০৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১

একুশের চেতনায় সবকিছু একতরফা আলাপে, বয়ানে শেষ হয়ে যাচ্ছে, আসল সত্য উদঘাটনে আমাদের চিন্তার আলস্য বাঁধ সেধে আছে। আমাদের সাংস্কৃতিক চিন্তার শক্তি জোরালো না হলে রাজনৈতিক লড়াইয়ে পরাজিতই থেকে যাবো।

কয়েকদিন আগে এক দা’ওয়াতি সফরের ফাঁকে শাহজাদপুর রবীন্দ্রনাথের কাছারি জাদুঘরে এই ছবিটি ক্যামেরাবন্দি করা হয়। দেখতে পাচ্ছেন দেবতার আসন? রবিন্দ্রের দেবতায় তার মহত্ত্ব বিনষ্ট হয়ে তিনি সাম্প্রদায়িক হয়ে যান না, কিন্তু আমরা আগে মুসলিম পরে বাঙালি বললে তাতেই শুধু ধর্মিনিরপেক্ষতার গন্ধ আবিষ্কার হয়।

তাদের এই ভণ্ডামির জন্য নীচের ছবিটি ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে দেয়া হলো।

বাংলাদেশের ‘ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি সংস্কৃতি’র পূজারীরা এটাকে একটা মতাদর্শিক দ্বীন বানিয়েছে। সেইসব প্রতীকগুলো একদম হুবহু ধর্মীয় পবিত্র স্থানের মত মর্যদা দেয়া হয়। সেই সব ব্যক্তিবর্গকে ধর্মগুরুর মত শ্রদ্ধা করা হয়। এটাও আরেক হিপোক্রেসি যে,ইমোশন ধর্মের নামে হলে তা হয়ে যায় ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িকতা, আর আবেগ উচ্ছাস সংস্কৃতির নামে হলে তা হয়ে যায় প্রগতি। উফ! বঙ্গীয় প্রগতি!

হায়! বঙ্গীয় মিসকিন সেকুলার গোষ্ঠী, এরা তো না মুসলিম, না হিন্দু, না কমিউনিস্ট, না হতে পেরেছে রবীন্দ্রনাথের মত ধর্মীয় বাঙালি। একটা হিপোক্রেসি বা ভণ্ডামিতেই তারা মাতাল।

আমার এক লেখায় লিখেছিলাম; রবীন্দ্রনাথের সত্তা থেকে তার আধ্যাত্মিকতা ও ধর্মবোধের অঙ্গগুলো নির্মমভাবে ছেদ করে একজন রক্তাক্ত রবীন্দ্রনাথ চাপিয়ে দেওয়ার কসরত সাধন করছে সেক্যুলার গোষ্ঠী। মরহুম আবদুল মান্নান সৈয়দের ভাষায়: ‘খণ্ডিত রবীন্দ্রনাথ’।

এসো সাংস্কৃতিক বাঙালি! তুমি মুসলিম হও আগে, যেমনিভাবে বাঙালি রবীন্দ্রনাথ আগে হিন্দু ছিলেন।

মাওলানা হারুন ইজহারের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত

মন্তব্য করুন