শরণার্থীদের প্রতিশ্রুত অর্থ দিচ্ছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন: এরদোগানের অভিযোগ

প্রকাশিত: ১০:৫০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১

যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া থেকে পালিয়ে আসা যেসব শরণার্থী তুরস্ক আশ্রয় দিয়েছে, তাদের জন্য প্রতিশ্রুত অর্থ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন রজব তাইয়েপ এরদোগান।

এ ক্ষেত্রে তুরস্কের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগও করেন তিনি। এরদোগান বলেন, গ্রিসকে শরণার্থীদের ব্যয় নির্বাহ করার জন্য ইইউ অর্থ দিলেও তুরস্ককে তা দেওয়া হচ্ছে না। অথচ ২০১৬ সালে ইউরোপমুখী সিরিয়ার শরণার্থীদের ঢল থামাতে তুরস্ককে তাদের ব্যয় নির্বাহের অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ইইউ।

পশ্চিমাঞ্চলীয় ইজমির প্রদেশে ইলুল বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক একটি সম্মেলনে এরদোগান এসব কথা বলেন। ২০১৮ সালের মার্চ নাগাদ তুরস্ককে ছয় বিলিয়ন ইউরো (৭.২৯ বিলিয়ন ডলার) দেওয়া কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত ইইউ সে অর্থ দেয়নি।

গ্রিসে অবস্থান করা এক লাখ শরণার্থীর জন্য দেশটিকে তিন বিলিয়ন ইউরো দিয়েছে ইইউ, অথচ তুরস্কে ৪০ লাখ সিরীয় শরণার্থীর জন্য একটি ইউরোও দেওয়া হয়নি। আজিয়ান সাগর পাড়ি দিয়ে বিপজ্জনকভাবে যাতে শরণার্থীরা ইউরোপে পাড়ি না জমায় এ জন্য তাদের আশ্রয় দিতে ২০১৬ সালে আংকার সঙ্গে ব্রাসেলসের চুক্তি হয়।

অপর এক খবরে বলা হয় তুরস্কের বেসরকারি প্রতিরক্ষা কোম্পানি বায়কার ডিফেন্স জানিয়েছে, তাদের তৈরি একটি মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) তিন লাখ ঘণ্টা উড্ডয়নের রেকর্ড তৈরি করেছে। কোম্পানির চিফ টেকনোলজি অফিসার সেলচুক বায়রাকতার এক টুইট বার্তায় সোমবার এই তথ্য জানান।

টুইট বার্তায় তিনি বলেন, বায়রাকতার টিবি২ নামের এই ড্রোনটি ইউফ্রেটিস শেল্ড, অলিভ ব্রাঞ্চ ও স্প্রিং শেল্ডসহ বিভিন্ন অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে।

উন্নত প্রযুক্তির এই ড্রোন সামরিক বাহিনীর জন্য যুদ্ধে খরচ ও কৌশলগত সুবিধা এনে দিয়েছে এবং অভিযানে প্রাণহানীর সংখ্যা কমিয়েছে। উড্ডয়নের তিন লাখ ঘণ্টার হিসাবে তুরস্কের বিমান চালনার ইতিহাসে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে বায়রাকতার টিবি২ ড্রোন। ২০১৪ সালে তুরস্কের সামরিক বাহিনীর প্রথম বায়রাকতার টিবি২ ব্যবহার শুরু করে।

বর্তমানে ইউক্রেন, কাতার ও আজারবাইজান এই ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এই ড্রোন গত বছরের শেষে ককেশাস অঞ্চলের নাগরনো কারাবাখকে কেন্দ্র করে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে যুদ্ধে আজারবাইজানের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আনাদোলু এজেন্সি, ডেইলি সাবাহ।

মন্তব্য করুন