ইসলামী ভাবধারার লেখকদের প্রতি একুশে পদকে বৈষম্য

প্রকাশিত: ৯:০২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১

বিভিন্নক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ ২১জনকে দেওয়া হয়েছে একুশে পদক ২০২১। ভাষা আন্দোলনে, সঙ্গীতে, অভিনয়ে, নাটকে, চলচ্চিত্রে, আবৃত্তিতে, আলোকচিত্রে, মুক্তিযুদ্ধে, সাংবাদিকতায়, গবেষণায়, শিক্ষায়, ভাষা ও সাহিত্যে, সমাজসেবায় এবং অর্থনীতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ এই পদক তাদের দেওয়া হলেও দুঃখের বিষয় হলো এতে নেই কোনো ইসলামী ব্যক্তিত্ব কিংবা বিভিন্নক্ষেত্রে ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত আলেম উলামা, ইমাম মুয়াজ্জিন,ইসলামী ভাবধারার লেখক কিংবা বিশিষ্ট ইসলামী স্কলার্সের নাম।

একদিকে বলা হবে আদর্শবান সুনাগরিক তৈরিতে ইসলামী শিক্ষার বিকল্প নেই, দূর্নীতি ও অনৈতিকতা রোধে ইসলাম ও আলেম উলামাদের অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু রাষ্ট্রীয়ভাবে কেউই তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত নয়। যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত দূর্ভাগ্য।

সম্প্রতি করোনা কলে ও আলেম উলামাদের মানবিক কার্যক্রম গুলোকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে এবার একুশে পদকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারতো রাষ্ট্র। কিন্তু প্রতিবারই দেখা যায় যে, আলেম উলামারা বিভিন্নক্ষেত্রে অবদান রাখলেও রাষ্ট্র তাকে স্বীকৃতি দিতে বৈষম্য পোষণ করে।

আলেম উলামা যদিও এধরণের পদকের উচ্চাভিলাষী নয়। তবুও রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল আলেম উলামাদের বিভিন্নক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি দেয়া।

আলেম উলামা বাংলাদেশের ই নাগরিক। তারাও বাংলাদেশে বিভিন্নক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় সবকিছু ভোগ করার অধিকার তাকে বাংলাদেশের সংবিধান দিয়েছে। রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গন থেকে যদি তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে সম্মানিত করতে পারে তাহলে আলেম উলামাদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে রাষ্ট্রীয় বৈষম্যের শিকার হতে হবে কেন?

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান, যুগ্ম সম্পাদক ইসলামী ঐক্যজোট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

মন্তব্য করুন