ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে প্রাইভেট শিক্ষকের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত: ৭:০৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১

নীলফামারীতে ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে ওয়াজেদ আলী টুকু নামে এক প্রাইভেট শিক্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাস কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের বিচারক আহসান তারেক এই আদেশ দেন।

দণ্ডিত ওয়াজেদ সৈয়দপুর উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের পূর্ব বেলপুকুর দেড়ানি এলাকার মৃত খাতির আলীর ছেলে।

একই মামলায় ওয়াজেদের অপর দুই ভাই ওহাব ও বাহাদুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

মামলা সূত্র জানায়, ২০০৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি প্রাইভেট শিক্ষক ওয়াজেদ আলী পূর্ব বেলপুকুর এলাকার জালাল উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে তার মেয়ে দশম শ্রেণীর ছাত্রী জিন্নাত আরা খাতুনকে ধর্ষণ করেন এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি প্রকাশ না করার হুমকি দেন।

পরবর্তীতে তাকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ করেন ওই প্রাইভেট শিক্ষক। এতে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে জিন্নাত।

একপর্যায়ে বিয়ে ও সন্তানের স্বীকৃতি দিতে তালবাহানা করলে ওয়াজেদ এবং তার দুই ভাই বাহাদুর ও ওহাবকে আসামি করে ভুক্তভোগী আদালতে মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক আজগর আলী আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করায় সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত আসামি ওয়াজেদ আলীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি রামেন্দ্র নাথ বর্ধণ বাপ্পী জানান, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি পলাতক ররেছেন। তার অনুপস্থিতিতে আদালতের বিচারক রায় ঘোষণা করেন।

মন্তব্য করুন