গোলাম মাওলা রনি ; ভদ্রতা বজায় রাখুন

মতামত || মুক্তমত || পাবলিক ভয়েস

প্রকাশিত: ১১:০০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৩, ২০২১
গোলাম মাওলা রনি ; ভদ্রতা বজায় রাখুন। ছবি : পাবলিক ভয়েস।

বাংলাদেশের অনলাইন সরব একজন রাজনীতিবিদ গোলাম মাওলা রনি। নৌকা প্রতীকে একবার এমপি হওয়া ছাড়া রাজনীতিতে তেমন কোনো অবদান তিনি রাখতে না পারলেও অনলাইনে তিনি সরব ছিলেন সব সময়। অনলাইন রাজনীতিবীদ ছাড়াও তার আর একটা পরিচয় দেয়া যায় তিনি ‘দলবদলে নামকরা একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি’।

তিনি আওয়ামী লীগে ছিলেন। তা ছেড়ে দিয়ে এখন বিএনপিতে আছেন। সংসদ সদস্য নির্বাচন করেছেন। এমপি হয়েছেন। মেয়র নির্বাচন করেছেন। হেরেছেন। সাংবাদিক পিটিয়ে মামলা খেয়ে জেলে গিয়েছেন। কখনও জামায়াতের বিরুদ্ধে সংসদে উত্তপ্ত বক্তব্য দিয়েছেন। জামায়াত একটি ‘ভ্রান্ত আকিদার দল’ বলে দেওবন্দিসহ হকপন্থী আলেমদের জামায়াত বিষয়ের অবস্থান ধার করে নিয়ে সংসদে বক্তব্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নজর কাড়তে চেয়েছেন। আবার তিনিই জামায়াতের সর্বোচ্চ জনপ্রিয় ব্যক্তি মানবতাবিরোধী অপরাধে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে ‘জমানার মুজাদ্দিদ ও জান্নাতি মানুষের প্রতিচ্ছবি’ বলে বক্তব্য দিয়েছেন। হাজার হাজার মানুষ জামায়াত-শিবিরে যোগ দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

তিনি কখনও দেশের ধর্মীয় জনগোষ্ঠি নিয়ে আবেগের বক্তব্য দিয়ে ‘তারা দেশের সবচেয়ে আদর্শ জনগোষ্ঠি’ বলে মন্তব্য করেছেন। কুরআন হাদিসের উদ্বৃতি দিয়ে একের পর এক ধর্মীয় বয়ান দিয়েছেন। এমনকি তিনি মিলাদ-মাহফিল ও দোয়া পরিচালনার মত কাজও করেছেন। ‘রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসাতানাতাও….’ এর উচ্চারণও করেছেন বেশ শুদ্ধভাবে।

ইজতেহাদ করা বা মাসয়ালা মাসায়েল বর্ণনা করাসহ শরিয়তের জটিল টার্মসগুলোও তিনি অনায়াসে ব্যবহার করেছেন। ‘কুরআন, হাদিস, ইজমা, কিয়াস’ শব্দ টেনে টেনে তিনি শরিয়তের মাসয়ালা মাসায়েল নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন একাধিকবার। ঠিক আবার তিনিই ধর্মীয় জনগোষ্ঠি নিয়ে একের পর এক নেতিবাচক বক্তব্যও দিয়েছেন।

এভাবে যদি গোলাম মাওলা রনির অবস্থান বিষয়ে কেউ বিশ্লেষণ করতে চায় – তাহলে সে হয়রান হয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। তিনি কখন কোন্ দলে ছিলেন, কী কী করেছেন। কখন কারো পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন আবার তার বিপক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন এসবের তারিখ তারিখ করে কেউ যদি দাবার ঘুটির মতো সাজায় তাহলে তার কোটে কোনো ঘুটিই থাকবে না। বরং একটা দিয়ে আর একটা কাটাকাটি হয়ে কোট পুরো খালি হয়ে যাবে।

  • অর্থাত রাজনীতির দাবা খেলায় তিনি একজন পরাজিত, চরমভাবে হেরে যাওয়া ব্যক্তি।

সম্প্রতি তিনি আলোচনায় এসেছেন বাংলাদেশের অন্যতম একজন সমালোচিত ব্যক্তি শাহরিয়ার কবিরের ভূয়সি প্রশংসা করে। যে প্রশংসার পর স্বাভাবিকভাবেই তিনি দেশের ডানপন্থী এবং ধর্মপরায়ন ব্যক্তিদের কাছে সমালোচিত হয়েছেন কারণ বাংলাদেশে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে যে কয়জন মানুষ ইসলাম ও মুসলমানদের প্রশ্নবিদ্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছেন জনাব শাহরিয়ার কবির তাদের মধ্যে অন্যতম। টিভি টক-শো থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক যে কোনো ওয়েবিনারে শাহরিয়ার কবিরের প্রথম ও শেষ অবস্থান থাকে ‘দেশে আলেমদের আস্ফালন বেড়েছে, ধর্মীয় জনগোষ্ঠির শক্তি বেড়েছে, মৌলবাদ দমন করতে হবে, আলেমরা সব রাজাকার’ ইত্যাদি শব্দগুচ্ছ। যে কারণে শাহরিয়ার কবির এদেশের ধর্মীয় জনগোষ্ঠির কাছে একজন অপছন্দের ব্যক্তি।

এমন একজন বামপন্থী ও ইসলামবিদ্ধেষী ব্যক্তির অযৌক্তিক ও মনগড়া ভূয়সি প্রশংসা করে রনি সাহেব স্বাভাবিকভাবেই সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তাও আবার শাহরিয়ার কবিরের একটি পরাজিত টক-শো আলোচনাকে কেন্দ্র করে রনি সাহেব তার প্রশংসা করেছেন।

সর্বশেষ আজ তিনি তার ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে মিডিয়া কর্তৃক কওমী মাদরাসামূহকে কোনঠাসা করার একটি জটিল টার্মস বলাৎকার পয়েন্টকে ব্যবহার করে চরম পর্যায়ের ধূর্ততার সাথে একটি ফেসবুক পোস্ট করেছেন। যেখানে ভদ্রতার সামান্য ধার না ধেরেই তিনি একটি উম্মুক্ত অভদ্রতা ও গালী গালাজের পথ তৈরি করে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের একটা কমেন্টবক্সকে ডাস্টবিনে রূপান্তরিত করেছেন।

আমার বিশ্লেষণে তার এই পোস্টের কারণ হলো – তিনি শাহরিয়ার কবিরের ভূয়সি প্রশংসা করে ডানপন্থিদের কাছ থেকে ফেসবুকে একটা ডলা খেয়েছেন। ডলাটা খেয়ে তার চামড়া ছিলে যাওয়ায় সেখানে জ্বালাপোড়া হয়েছে এবং তিনি ধারণা করেছেন তার ব্যপারে এ অবস্থানটা কওমীপন্থীরা নিয়েছে। তাই কওমী মাদরাসা নিয়ে মিডিয়াবাজীর সুযোগ নিয়ে তিনি বলাৎকার বিষয়টিকে চতুরতার সাথে নিজ পেজে পোস্ট করে কমেন্ট আহবান করেছেন। যেখানে অলরেডি আড়াই হাজার কমেন্ট হয়েছে। যার মধ্যে ৯৯% তার বিপক্ষে গিয়েছে।

কিন্তু মূল কথা হলো – এই পোস্ট করার বিষয়ে তিনি মোটেও শালীনতা, ভদ্রতা ইত্যাদির ধার ধারেননি। শুধু এ পোস্ট পড়ে কারো বোঝারও উপায় নেই যে – তিনি একজন সভ্য শিক্ষিত মানুষ। একজন রাজনৈতিক। শুধু এই পোস্ট পড়ে গোলাম মাওলা রনিকে বিবেচনা করলে মনে হবে একটা অভদ্র, গালীবাজ ও অশিক্ষিত পর্যায়ের একজন মানুষ তিনি। ‘পায়ু সেনা’, ‘পায়ু যোদ্ধা’, ‘কমলমতি নাবালকদের পায়ু’, ‘গ্রামগঞ্জের পায়খানা’, ‘পায়ু যুদ্ধের তাণ্ডব’, ‘ঢিলেঢালা বায়ুযুক্ত এবং খানিকটা দুর্গন্ধময় বুড়া মানুষের পায়ু’ ‘পায়ু সেবী’ ইত্যাদি ধরণের চরম পর্যায়ের অভদ্র ও স্ল্যাগ শব্দ তিনি তার পোস্টে ব্যবহার করেছেন একাধিকবার। এমনকি তিনি বিশ্বের একটি প্রতিষ্ঠিত ও শান্তিপ্রিয় স্বাধীন দেশ ‘উগান্ডা’ নিয়েও অভদ্র ও বর্ণবাদীদের মত মজাক উড়িয়েছেন।

আরও মজার বিষয় হলো – এমন শব্দ ব্যবহার করে লেখা একটি বিশ্রি ধরণের পোস্টের নিচে তিনি নিজে লিখে দিয়েছেন – ‘পায়ু সেনাদের তাণ্ডব, বিকৃত রুচি এবং নড়াচড়া দেখার জন্য এই স্ট্যাটাসের  কমেন্টগুলো দলিল হিসাবে থাকবে।’ অথচ তার নিজের পোস্টটাই একটি বিকৃত রুচি ও অভদ্র শিক্ষিত শয়তানের তাণ্ডবের একটি বড় প্রমান। এমন প্রমান রেখে সে নিজে অন্যদের বিকৃত রুচির দলিল রাখতে চাইছে কমেন্টবক্সে। হাউ সেলুকাস রনি সাহেব! এমন অভদ্র কেন হতে হবে? ভদ্রতা বজায় রাখতে দোষ কী।

সমালোচনা, আলোচনা ভদ্রতা বজায় রেখে সুস্থতার সাথেও তো করা যায়। যদিও রনি সাহেব তা রাখবেন না কারণ তার দরকার রাস্তার মাঝখানে মলত্যাগ করে অপরের গালী শোনা। রাজনীতিতে পরাজিত ও চরমভাবে লাঞ্চিত গোলাম মাওলা রনি এখন মানুষের চর্চায় থাকতে চায় এভাবেই! প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে তাকে একজন মীর জাফর বলেছেন আসলেই সে এমন বিশেষণের উপযুক্ত ছিলো।

  • এসব তো গেলো একটি দিক, এবার আসি একটু ভিন্ন দিকে :

গোলাম মাওলা রনির আজকের এ অবস্থানের জন্য দায়ী কারা? কারা তাকে এখানে এনে রেখেছেন। কারাই বা তাকে এসব বিকৃত লেখা ও বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে, পল্টি মেরে মজা নিতে শিখিয়েছে! উত্তর হলো – প্রতিটি দলের বিশেষ করে ডানপন্থী দলগুলোর ফেসবুক হুজুগে কর্মীরা। হ্যাঁ, বাস্তবতাই এটা। এই হুজুগে কর্মীরাই তাকে এখানে এনে দাড় করিয়েছে এবং তাকে সব বিষয় নিয়ে মজা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন।

এই রনি সাহেব যখন জামায়াতের পক্ষ নিয়ে প্রচুর বক্তব্য দিয়েছে তখন জামায়াত সমর্থকরা অনলাইনে তাকে মাথায় তুলে নেচেছে। জামায়াত আদর্শের জাতীয় দৈনিক নয়া দিগন্ত তার কলামের পর কলাম ছেপেছে। তাকে গুরুত্বে রেখেছে এই অনলাইন কর্মীরা। যখনই সে আওয়ামী বিরোধী দু চারটা কথা বলেছে ব্যাস! তাকে নিয়ে আওয়ামীবিরোধী সকল শক্তিরাই নাচানাচি শুরু করেছে। বানিয়েছে ফেরেশতা!

সে তাই সুযোগে সুযোগে এসব কর্মীদের নিয়ে খেলেছে। আজকে সবার গলার কাটা হয়ে ধরা দিছে। এমন কাটা যা না পারা যাবে গিলতে না পারা যাবে ফেলতে।

  • অতএব ফেসবুক হুজুগে কর্মীরা এসব ছদ্মবেশী ও অভদ্র রাজনীতিবিদদের নিয়ে হুজুগে মাতার আগে একটু বুঝ বিবেচনা মগজে-মস্তিস্কে রেখে নেবেন দয়া করে।

পরিশেষে এক নজরে তারিখ বাই তারিখ গোলাম মাওলা রনির কিছু কিছু রাজনৈতিক পল্টিবাজি ও বক্তব্যের সিক্সটি ডিগ্রি ইউটার্ণ নেওয়ার বিষয়টি উল্ল্যেখ করছি এবং সাংবাদিকতার ভাষায় তাকে বলছি – ‘ভদ্রতা বজায় রাখুন’।

  • সাংবাদিকতা দিয়ে পাবলিক রিলেডেট কাজ শুরু করা গোলাম মাওলা রনি ২০১৩ সালে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের তালাশ টিমের দুজন সাংবাদিককে পিটিয়ে জেল খেটেছেন। সাংসদ থাকা অবস্থায় ২৪ জুলাই তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন।

 

  • গোলাম মাওলা রনি ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে পটুয়াখালী-৩ আসন থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর পাঁচবছর আওয়ামী লীগের চাটুকারিতায় সর্বোচ্চ সময় পার করেছেন। তবে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনা নিয়ে আওয়ামী লীগ বিব্রত হলে তিনি ২০১৪ সালের মনোনয়ন পাবেন না দেখে আওয়ামী লীগের সমালোচনা শুরু করেছেন। অবশ্য তার আগেই তিনি ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে মীর জাফর উপাধি পেয়েছিলেন তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে।

 

  • নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চতুর্থ অধিবেশনে জাতীয় সংসদে তিনি জামায়াতে ইসলামীকে একটি ভ্রান্ত আকিদাল দল ও জামায়াত ইসলামের নামে পাক ভারত উপমহাদেশে প্রতারণা করে যাচ্ছে বলে কঠোর একটি বক্তব্য দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি জামায়াত প্রতিষ্ঠাতা মওদূদী মরহুমকে তিনি একজন ভ্রান্ত ব্যক্তি বলে মতামত দিয়েছেন। আবার ঠিক তিনিই ২০১৩ সালে জেল খেটে এসে জামায়াত নেতা মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে ‘এই যুগের মুজাদ্দেদ এবং জমিনে জান্নাতি মানুষের জীবন্ত প্রতিরূপ !’ বলে বক্তব্য দিয়েছেন। আবার তিনিই কিছুদিন পর আবারও জামায়াতকে একটি ফেতনাবাজ দল বলেছেন। এরপর বিএনপিতে যোগ দেয়ার পর আবারও জামায়াতের প্রশংসা করেছেন। এভাবে ধারাবাহিকতা চলমান আছে এখনও।

 

  • এরপর ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন পাননি। না পেয়ে ২০১৫ সালে তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র নির্বাচন করেন এবং পরাজিত হন। এ সময় তিনি ধারাবাহিকভাবে আওয়ামী সমালোচক ছিলেন যদিও তিনি আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনাকে তাহাজ্জুদগুজার হিসেবে একাধিক বক্তব্য দিয়েছিলেন।

 

  • ২০১৮ সালের ২৬শে নভেম্বরে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগদান করেন। এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনয়ন লাভ করেন। যদিও নির্বাচনে তিনি জিততে পারেননি এমনকি ভোটকেন্দ্রেও যাননি! এরপর তিনি বিএনপির প্রশংসায় পঞ্চমূখ হয়ে আছেন এখনও। সাথে সাথে অবস্থান নিয়েছেন এ দেশের কওমীপন্থি ও ইসলামপন্থীদের পুরোপুরি বিপরিত অবস্থানে। সুযোগ পেলেই সমালোচনা করছেন ইসলামপন্থী ও আলেম-ওলামাদের। সাথে সাথে শরিয়তের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও দিচ্ছেন মনগড়া বিভিন্ন বক্তব্য।

এছাড়াও তারিখ ও দিন হিসেব করে গোলাম মাওলা রনির এমন আরও অনেক বিপরিতধর্মী অবস্থান খুজে বের করা যাবে যা সামান্যতম আত্মমর্যাদা থাকা কোনো ব্যক্তির ব্যাপারে খুঁজে বের করা যাবে না।

তাই – এমন বহুরূপি ও অবস্থান পরিবর্তন করা এবং রং পাল্টানো ব্যক্তিদের থেকে সতর্কতার বিকল্প নেই। বুঝতে হবে – এদের ভালো কথা ও কাজের পেছনেও থাকে ভিন্ন কোনো অসৎ ও দুষ্ট উদ্দেশ্য।

পরিশেষে – গোলাম মাওলা রনির প্রতি অনুরোধ থাকবে। দয়া করে এমন সব অবস্থা অবস্থান না রেখে ভদ্রতা ও আত্মমর্যাদা টিকিয়ে রাখার জন্য হলেও নিজেকে পরিমাপ করুন জনগণের চিন্তা ভাবনা ও সঠিক বেঠিকের মাপকাঠির মাধ্যমে।

লেখক : হাছিব আর রহমান। এডিটর, বিশ্লেষক, সংবাদকর্মী।

[দ্রষ্টব্য : পাবলিক ভয়েসের মতামত বিভাগে প্রকাশিত লেখার দায়ভার একান্তই লেখকের। পাবলিক ভয়েসের সম্পাদনা পরিষদ ও পাবলিক ভয়েস কর্তৃপক্ষ এ মতামত কলামের দায়ভার গ্রহণ করেন না। মতামত বিভাগে আপনিও আপনার মতামত পাঠাতে পারেন। লেখার বিষয়বস্তু সঠিক হলে পাবলিক ভয়েসে প্রকাশিত হবে। লেখা পাঠাতে পারেন এই মেইলে : news.publicvoice24@gmail.com]

মন্তব্য করুন