১২টি মুসলিম দেশকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় আমিরাতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

প্রকাশিত: ৩:৫০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৮, ২০২০

সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বের ১৩টি দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর মধ্যে ১২টিই মুসলিম প্রধান দেশ।

সেই তালিকায় রয়েছে ইরাকের নামও। কোনো কারণ ছাড়াই এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় এবার আমিরাতের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন ইরাকের কয়েকজন সংসদ সদস্য।

জানা গেছে, শুধু ইরাকের নাগরিকদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপই করেনি, সেইসঙ্গে বেশ কয়েকজন ইরাকিকে অজ্ঞাত কারণে আটকও করেছে আমিরাত সরকার।

এক প্রতিবেদনে পার্সটুডে জানিয়েছে, ইরাকি সংসদের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির সদস্য মুখতার আল-মুসাভি এ ব্যাপারে বলেছেন, ইরাকের নাগরিকদের সংযুক্ত আরব আমিরাতে কেন আটক করেছে, তা জানার চেষ্টা করছে বাগদাদ। ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের সময়ই ওই সব নাগরিককে আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইরাকের আরেক সংসদ সদস্য বলেন, আমিরাত সরকার যেভাবে ইরাকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে, দেশটির বিরুদ্ধে বাগদাদকেও পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থাৎ আমিরাতের নাগরিকদের বিরুদ্ধেও ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলেন হাসান আলী নামের এ সংসদ সদস্য।

এ ছাড়া আবুধাবি সরকারের সিদ্ধান্তকে অগ্রহণযোগ্য ও অযৌক্তিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে আমিরাত সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আমির আল-ফাইয়াজ নামে আরেক ইরাকি সংসদ সদস্য।

তিনি বলেছেন, ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণ হিসেবে আমিরাত সরকার করোনার মহামারিকে দায়ী করেছে। কিন্তু প্রকৃত বাস্তবতা হচ্ছে- দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে যেসব দেশ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, সেসব দেশের বিরুদ্ধে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

আই.এ/

মন্তব্য করুন