রাসুল (স.) এর অবমাননার তীব্র নিন্দা জানালো বিএনপি

প্রকাশিত: ৫:১১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১, ২০২০

রাসুল (স.) এর কার্টুন প্রকাশকে বিএনপি একটি গর্হিত অপরাধ বলে গণ্য করে এবং এমন কাজের তীব্র নিন্দা জানায়। এ ঘটনায় বিশ্বের ২০০ কোটিরও বেশি মুসলমানসহ সব ধর্ম-বর্ণের কোটি কোটি যুক্তিবাদী ধর্মপ্রাণ মানুষ এবং বিভিন্ন রাষ্ট্র যে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে চলেছে বিএনপি তার সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছে।

রোববার (০১ নভেম্বর) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের এ বক্তব্য তুলে ধরেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি মনে করে যে, ইসলাম ও মহানবী (স.) এর অনুসারীদের আবেগকে আহত করে বিশ্বব্যাপী যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে তা গোটা মানবজাতির ঐক্য ও মিলনের জন্য এক অনতিক্রমনীয় হুমকিতে পরিণত হয়েছে।

এই সংকট থেকে বের হয়ে আসার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মূল্যবোধকে স্বীকৃতি দেওয়ার মতো মানবিক ও গণতান্ত্রিক দায়িত্ব পালনের জন্য ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকেই উদ্যোগী হতে হবে। কারণ, ঘৃণা ও সন্ত্রাস-কোনোটাই বিশ্ববাসীর কাম্য নয়।

এছাড়া শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন কতৃক প্রস্তাবিত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন-২০২০ বিষয়ে ইতোপূর্বে নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি বিস্তারিত পর্যালোচনা করে আইন সংশোধনের যে প্রতিবেদন পেশ করেন তা কিছু সংশোধনের মাধ্যমে গৃহীত হয়।

নজরুল ইসলাম খান এবং তার সহযোগী সদস্যদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যথাযথ সুপারিশ পেশ করার জন্য ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানানো হয়। রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে এ সংক্রান্ত পত্র হস্তান্তর করবেন। একইসঙ্গে প্রস্তাবিত স্থানীয় সরকার আইনের পর্যালোচনাসহ সংবাদ সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হয়।

‘স্থায়ী কমিটির সভায় মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে গঠিত বিএনপির কেন্দ্রীয় উদযাপন কমিটির পূর্ণাঙ্গ ১১৫ সদস্যের কমিটি অনুমোদন করা হয়। সুবর্ণ জয়ন্তী পালনের যথাযথ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য আহ্বায়ক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়। ’

এছাড়া ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ জাতীয় সংসদের উপ-নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারাভিযানে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলা এবং নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ প্রশাসনের নীরবতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। সভায় আগামী ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে মহাসচিবের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যরিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

আই.এ/

মন্তব্য করুন