ফ্রি কল করে ওমরাহ সম্পর্কিত যে কোনো মাসলার উত্তর জানা যাবে ১০ ভাষায়

প্রকাশিত: ৬:৫৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৪, ২০২০

ইসমাঈল আযহার
পাবলিক ভয়েস

হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সুপ্রিম কমিটির চেয়ারম্যান ড. আব্দুল লতিফ আল-শেখ শনিবার ওমরাহ সম্পর্কিত যে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য ফ্রি ফোনকলের মাধ্যমে ‘অটোমেটিক রেসপন্স সার্ভিস’ পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। মোট দশটি ভাষায় এই সার্ভিস চালু হচ্ছে এবং ২৪ ঘন্টা এটি চালু থাকবে। এক প্রতিবেদনে এখবর দিয়েছে সৌদি গেজেট।

যে নাম্বারে কল করবেন 8002451000

হজ ও ওমরাহ বিষয়ক ‘ইসলামী সচেতনতামূলক মহাসচিব’ শেখ মোহসেন আল-হারথি জানান, এই পরিসেবা দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় সবরকমের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ভাষাগুলো হল, আরবি, ইংরেজি, ফার্সি, তুর্কি, হিন্দি, উর্দু, হাউসা, ইন্দোনেশীয়, বাংলা এবং আমহারিক।

প্রসঙ্গত, পবিত্র ওমরা পালনের জন্য রোববার (৪ অক্টোবর) থেকে মক্কা এবং মদীনার পবিত্র স্থানগুলো উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের মহামারি কারণে সাত মাস বন্ধ থাকার পর আজ সৌদি সরকার এসব পবিত্র স্থান উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। প্রতিবছর বিশ্বের লাখ লাখ মুসলমান ওমরা পালন করে থাকেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে তা বন্ধ ছিল।

ওমরা পালনের বিষয়টি তিন ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপে থাকবে শুধুমাত্র সৌদি আরবে বসবাসরত নাগরিকেদর ওমরা পালনের সুযোগ। এ সময় প্রতিদিন ছয় হাজার মানুষ ওমরা পালনের সুযোগ পাবেন।

সৌদি সরকার সীমিত পরিসরে ওমরাহ পালনের আবেদন করার জন্য যে অ্যাপ চালু করেছে, তাতে আবেদন করে পাঁচ দিনে এক লাখ আট হাজার ৪১ জন চূড়ান্ত অনুমতি পেয়েছেন। এর আগে গত শুক্রবার সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়। আরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪২ হাজার ৮৭৩ জন সৌদি আরবের এবং বাকি ৬৫ হাজার ১২৮ জন সৌদি আরবে অবস্থান করা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক।

সৌদি আরবের হজ বিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ বেনতেন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে খুবই সতর্কতার সাথে এবং সুনির্দিষ্ট সময়ের ভেতরে ওমরা পালন করা হবে। তিনি জানান, ওমরা পালনকারীদেরকে কয়েকটি গ্রুপে বিভক্ত করা হবে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই ওমরা পালনকারীদেরকে পবিত্র কাবা তাওয়াফ করতে হবে।

আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন ওমরা পালনকারীর সংখ্যা ১৫ হাজারে বাড়ানো হবে এবং সর্বোচ্চ ৪০ হাজার মানুষকে কাবা শরীফে নামাজ আদায় করতে দেয়া হবে।

এরপরে ১ নভেম্বর থেকে বিদেশি নাগরিকদের ওমরা পালনের সুযোগ দেয়া হবে। এ সময় থেকে প্রতিদিন ২০ হাজার মানুষ ওমরা পালন করতে পারবেন এবং মসজিদের ভিতরে ৬০ হাজার মানুষকে নামাজ পড়ার অনুমতি দেয়া হবে।

আই.এ/

মন্তব্য করুন