পশ্চিম তীর দখলের আরও এক ধাপ, নতুন ১০০০ বসতি স্থাপন

প্রকাশিত: ৬:৪৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২০

দখলকৃত পশ্চিম তীরের বেথলেহমে আরও ৯৮০টি অবৈধ বন্দোবস্ত ইউনিটকে অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। ওয়াফার বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্থানীয় অবৈধ বন্দোবস্ত বিরোধী কর্মী হাসান ব্রিজিয়েহ জানান, ইসরায়েল ৯৮০টি নতুন বন্দোবস্ত ইউনিট নির্মাণের অনুমোদনের ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দখলকৃত পশ্চিম তীরের বৃহত্তর অংশকে নিজেদের মানচিত্রে যুক্ত করার তেল আবিবের পরিকল্পনা ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত হবে।

নতুন করে অবৈধ বসতি স্থাপনের অনুমোদন দেয়া এটাও ইঙ্গিত করে যে, এই বসতি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে আশপাশের কৃষিজমিসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করা হবে, যোগ করেন হাসান ব্রিজিয়েহ। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নাফতলি বেনেট অবৈধভাবে ৭ হাজার বন্দোবস্ত ইউনিটকে অনুমোদন দিয়েছিলেন।

অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলোতে বসতি স্থাপনকারীদের তৎপরতা অনুসরণ করা ইসরায়েলি এনজিও পিস নাও বলছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত এটাই প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সবচেয়ে বাজে সিদ্ধান্ত। পুরো জাতি যখন করোনার সংকটে ভুগছে তখন এমন একটি বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের স্থায়ী আধিপত্য দমন এবং দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের সম্ভাবনা ক্ষতি করতে পারে।

অথচ এই মুহূর্তে করণীয় ছিল ফিলিস্তিন নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দ করা। তা না করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বর্তমানে একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন রাজনীতি পরিচালনা করছে। গণতন্ত্রবিরোধী আদর্শের নামে তিনি যে কোনো রেড লাইন অতিক্রম করতে ইচ্ছুক।

পিএলওর নির্বাহী কমিটির সদস্য হানান আশ্রাবি অভিযোগ করে বলেন, করোনা মহামারি মধ্যে বর্বরোচিত এই শোষণ ইসরায়েল তাদের অবৈধ বসতি স্থাপনের অগ্রগতি এবং রাজনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনাকে অপূরণীয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ১৯৬৭ সাল থেকে দখলকৃত পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুসালেমে নির্মিত অবৈধ বসতিগুলোতে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার ইসরায়েলি বসবাস করছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

আই.এ/

মন্তব্য করুন