ইমিগ্রেশনের অস্পষ্টতায় আবুধাবি থেকে ফিরতে হল ১১২ যাত্রীকে

প্রকাশিত: ৪:৩৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৬, ২০২০

আবুধাবির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের অস্পষ্টতার কারণে ১১২ প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীর দেশে ফিরতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান। তিনি বলেন, গত ১৪ ও ১৬ আগস্ট ১১২ যাত্রীকে ফেরত পাঠায় আবুধাবি কর্তৃপক্ষ। ইমিগ্রেশন জটিলতার কারণে মূলত তাদের ফেরত পাঠানো হয়। তাদের পলিসিতে এখনো অস্পষ্টতা রয়ে গেছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ২টায় বেবিচক সদর দপ্তরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি থেকে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের ফেরত পাঠানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন। মো. মফিদুর রহমান বলেন, ওইদিন শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতীয় যাত্রীদেরও ফিরিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ।

আবুধাবি কর্তৃপক্ষ হঠাৎ দেশটিতে প্রবেশ পলিসিতে পরিবর্তন আনে। কিন্তু সেই পলিসির আগাম তথ্য জানায়নি দেশটির কর্তৃপক্ষ। পুরাতন নিয়মেই যাত্রীরা আবুধাবি যান। ফলে ইমিগ্রেশন জটিলতার কারণে এ ঘটনা ঘটে। বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৭টি প্রদেশের মধ্যে আবুধাবিতে যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ, তাদের স্ট্যাটাস জানার জন্য একটি লিংক দেওয়া হয়। কিন্তু বিমান, এয়ার অ্যারাবিয়া ও যাত্রীরা স্ট্যাটাস যাচাই করেননি। ফলে এই জটিলতা সৃষ্টি হয়।

‘১৪ আগস্টের ফ্লাইটে বিমান ও এয়ার অ্যারাবিয়ারও কিছু ক্রটি ছিল। আবার আবুধাবির বাংলাদেশ দূতাবাসকে প্রয়োজনীয় তথ্য জানায়নি আবুধাবি কর্তৃপক্ষ। কেউ আবুধাবি ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা পায়নি। মূলত ইমিগ্রেশনের অস্পষ্টতার কারণে এসব যাত্রীদের ফিরতে হয়। ’

মো. মফিদুর রহমান বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও এয়ার অ্যারাবিয়া সুস্পষ্ট কোনো ক্লিয়ারেন্স পায়নি। সংযুক্ত আরব আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম রাষ্ট্র, যারা কোভিড-১৯ এর সময়ে কর্মীদের প্রবেশ করার সুযোগ দিয়েছে। যদিও তারা বিভিন্ন ক্যাটাগরি দিয়েছে। তবুও আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই। তারা প্রথমে সাধারণ শ্রমিক ক্যাটাগরিতে প্রবেশের অনুমতি দিলেও পরে কৌশলের আশ্রয় নেয়।

আই.এ/

মন্তব্য করুন