জিয়া ছিলেন ‘পাকিস্তানি এজেন্ট’: হানিফ

প্রকাশিত: ৯:০৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৩, ২০২০

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করলেও তিনি রণাঙ্গনে কোনো সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন, এমন কথা ইতিহাসের কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ‘১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড: নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভাটির আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপ-কমিটি।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, জিয়াউর রহমান কখনোই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না। তিনি মূলত একজন পাকিস্তানি এজেন্ট ছিলেন। কারণ স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ভাবধারার রাষ্ট্রে ফিরিয়ে নিতে কাজ করেছিলেন তিনি। জিয়া নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করলেও তিনি রণাঙ্গনে কোনো সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন, এমন কথা ইতিহাসের কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড এবং তার সরকারকে উৎখাতের জন্য যারা ষড়যন্ত্র করেছেন, তাদেরকে জিয়াউর রহমান সব সময় উৎসাহ ও মদদ দিয়েছেন। পঁচাত্তরের আত্মস্বীকৃত খুনিরা পরবর্তীতে নানা সময় সাক্ষাৎকারে এসব কথা জানিয়েছিলেন। জিয়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না। এটা আজ দিবালোকের মতো সত্য।

জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন এবং নেপথ্যে থেকে কাজ করেছেন। যার সব থেকে বড় প্রমাণ তিনি খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন এবং পুরষ্কৃত করেছে। তিনি যদি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত না থাকতেন, তাহলে খুনিরা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেতো না, যোগ করেন আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

আলোচনা সভায় আরো অংশ নেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, সিনিয়র সাংবাদিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়, লেখক ও সাংবাদিক আবেদ খান, ভাষাতাত্ত্বিক ও শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাসরিন আহমেদ, বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ।

এমএম/পাবলিকভয়েস

মন্তব্য করুন