ঘুরতে আসা মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকসহ নেত্রকোনায় ট্রলারডুবি : ১৭ জন নিহত

নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে

প্রকাশিত: ৪:৩৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৫, ২০২০
  • নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

নেত্রকোনার মদন উপজেলার হাওরে ট্রলার ডুবে মাদরাসা ছাত্র-শিক্ষকসহ প্রায় ১৭ জন যাত্রী মারা গেছে। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিয়ুন) এছাড়াও নিখোঁজ রয়েছে আরও বেশ কয়েকজন।

বুধবার দুপুরে উচিতপুর ট্রলারঘাটের অদূরে রাজালিকান্দা হাওরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চরসিরতা ইউনিয়নের একটি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক ও ঘুরতে আসা পর্যটক।

জানা গেছে, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চরসিরতা ইউনিয়নের একটি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকরা বুধবার মদনের উচিতপুর এলাকায় হাওর ভ্রমণে আসেন। তারা একটি ট্রলারে করে উচিতপুর থেকে গোবিন্দশ্রীর দিকে যাচ্ছিল। এ সময় রাজালিকান্দা নামক স্থানে ট্রলারটি ডুবে যায়।

অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে এ ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, মদনের উচিৎপুর ঘাট থেকে ছেড়ে আসা ট্রলারটি ২০/২৫ জন যাত্রী পরিবহনে সক্ষম হলেও সেখানে প্রায় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করে। প্রবল বাতাসে অতিরিক্ত যাত্রীবাহী ট্রলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। তাদের মধ্যে সাঁতরে ৩১ জনের তীরে উঠতে পারলেও বাকিরা ডুবে যায়।

প্রথমে স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতা চালায়। পরে স্থানীয় দমকল বাহিনী ও পুলিশ উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেয়।

উদ্ধার হওয়া নিহতদের মধ্যে দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলো দুই বোন লুবনা আক্তার (১০) ও জুলফা আক্তার (৭)। তারা চরশিরতা ইউনিয়নের ওয়ারেছ উদ্দিনের মেয়ে। বাকিদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।

মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বুলবুল আহমেদ তালুকদার বেলা ২টা ৫০ মিনিটের সময় ঘটনাস্থল থেকে জানান, তখন পর্যন্ত ১৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তিতে আরও দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি জানান, ট্রলারটিতে মোট ৪৮ জন যাত্রী ছিল।

মন্তব্য করুন