আশরাফ মাহদির বিদেশ থেকে ফেরত আসা : ফেসবুকে প্রতিবাদ কওমী তরুণদের

প্রকাশিত: ১:০৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২০

ইসলামি ঐক্যজোটের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মুফতী ফজলুল হক আমিনী (রহ) এর দৌহিত্র মিশর আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র হাফেজ আশরাফ উদ্দীন মাহদীকে নিয়ে উত্তাল ফেসবুকের কওমী অঙ্গন।

আরও পড়ুন : ছাত্র খেলাফত থেকে জমিয়তে যোগ দিলেন মুফতী আমিনী দৌহিত্র

ফেসবুকে বিভিন্নজনের দাবি অনুসারে জানা যায় – বাংলাদেশ থেকে দুবাই হয়ে মিশরে যাওয়ার সময় দুবাই এয়ারপোর্টে আটকে দেওয়া হয় তাকে। পরবর্তিতে একটি বিশ্বস্থ সূত্রানুসারে জানা যায় – তাকে দুবাই থেকে বাংলাদেশে ফেরত আনা হচ্ছে এবং অনেকে ধারণা করছেন তাকে বাংলাদেশে এনে বাংলাদেশ ছাত্র খেলাফত চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি মাওলানা ওসমান কাসেমের উপর হামলার ঘটনায় চার্জশিট হওয়া মামলায় গ্রেফতার করা হতে পারে। তবে বিষয়টি নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

এ ঘটনা নিয়ে হঠাত করে ফেসবুকে প্রতিবাদমূখর হয়ে উঠে কওমী তরুণরা। আশরাফ মাহদিকে নিয়ে মতামত ও বিবৃতি প্রকাশ করেন অনেকেই। একই সাথে ওসমান কাসেমের উপর হামলার ঘটনাকে সাজানো বলেও দাবি করেন অনেকে।

ঘটনার শুরু যেভাবে :

গত মাসখানেক আগেই হঠাত করে ফেসবুকে প্রকাশ পেতে শুরু করে কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের বৃহত বোর্ড ‘বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ’ নিয়ে বিভিন্ন দাবি পাল্টা দাবি। কিছু ছদ্মনামের ফেসবুক আইডিসহ অনেকে প্রকাশ্যেও এ বিষয়ে কথা বলতে শুরু করেন। এ বিষয়ে পাবলিক ভয়েসের নিম্নোক্ত  প্রতিবেদনগুলো পড়লেই বিস্তারিত জানা যাবে।

এর কয়েকদিন পরই হঠাত করে ফেসবুকে আশরাফ মাহদির ব্যাক্তিগত আইডি থেকে ইসলামী ঐক্যজোট এবং মুফতী ফজলুল হক আমিনীর পরিবার নিয়ে কয়েকটি লেখা প্রকাশ করা হয়।

সর্বপ্রথম ১৭ জুলাই ফেসবুকে তিনি ইসলামী ঐক্যজোটের কয়েকজন দায়িত্বশীলসহ অনেককে অভিযুক্ত করে একটি ফেসবুক পোস্ট করেন যেখানে তিনি দাবি করেন ফেসবুকে একাধিক ফেক আইডি দিয়ে মুফতী ফয়জুল্লাহ বিভিন্ন প্রচারণা করে থাকেন। তবে এ বিষয়ে মুফতি ফয়জুল্লাহর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এরপর ১৮ জুলাই তিনি নিজ আইডিতে প্রকাশ করেন আরও কিছু স্পর্শকাঁতর তথ্য। যেখানে তিনি মুফতি আমিনীর পরিবারসহ ইসলামী ঐক্য জোটের বিভিন্ন নেতাকর্মীদের নিয়ে বেশকিছু স্পর্শকাঁতর অভিযোগ করেন। যার মধ্যে অন্যতম ছিলো মুফতী আমিনীকে বিষপ্রয়োগে হত্যাসহ আরও অনেক বিষয়।

– এ বিষয়ে আশরাফ মাহদির একটি ফেসবুক পোস্ট

  • পরবর্তিতে মুফতি আমিনীর সন্তান আবুল হাসনাত আমিনী (যিনি আশরাফ মাহদীর আপন মামা) তিনিসহ আরও কয়েকজন ফেসবুক লাইভে এসে তাঁর দাবিগুলো অমূলক বলে দাবি করেন। এরপরই বিষয়টি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।

ঘটনার পরবর্তি ধাপ :

১৮ জু্লাই শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ছাত্র খেলাফত চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি মাওলানা ওসমান কাসেমের উপর অজ্ঞাত পরিচয়ের কিছু যুবক হামলা করে। যে হামলার পর ১৯ জুলাই তাদের রক্তাক্ত ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়ায়। পরবর্তিতে এ ঘটনায় ১৯ জুলাই চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানায় তিনি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় ৯ জনকে উল্লেখ করে মোট ১০/১২ জনকে আসামী করা হয়। আসামীরা হলেন ১। আহসান উল্লাহ্ ২। মুফতী সাখাওয়াত হুসাইন রাযী ৩। মাওলানা যুবায়ের আহমাদ ৪। মুফতী হারুন ইজহার, ৫। মাওলানা আসাদুল্লাহ্ ৬। মাওলানা মীর ইদ্রিস ৭। মাওলানা কামরুল ইসলাম, মাওলানা যাকারিয়া নোমান ফয়েজী (মেখল) ৯। হাফেজ মাওলানা আশরাফ মাহদী প্রমূখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১২ জন।

মামলার বিষয়ে ওসমান কাশেমের কাছে বেশ কয়েকদিন আগে ঘটনার বিবরণ জানতে চাইলে তিনি পাবলিক ভয়েসকে বলেন – বিষয়টি থানার তদন্তাধিন বিষয় তাই এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে রাজি নই।

পরবর্তি ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে একটি সূত্র অনুসারে জানা যায় – আশরাফ মাহদির পূর্ব নির্ধারিত নিয়মতান্ত্রিক ফ্লাইটে গতকাল (২৬ জুলাই) মিশরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। এর মধ্যে তাকে বাংলাদেশের ইমিগ্রেশনে কোনো ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি বলেও জানা যায়। ফ্লাইট দুবাই ট্রানজিট হলে সেখানের কর্মকর্তারা তাকে জানান যে, বাংলাদেশ থেকে রিপোর্টের কারণে তাকে ফেরত পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে তারা!

পরবর্তিতে ২৭ জুলাই বিষয়টি ফেসবুকে ডালপালা মেলে এবং কওমী তরুণ ও আলেমদের মধ্যে অনেকেই আশরাফ মাহদীর পক্ষ হয়ে প্রতিবাদ প্রকাশ করেন।

প্রতিবাদ বিবৃতি বা মতামত প্রকাশ করেছেন যারা তাদের মধ্যে কিছু মতামত তুলে আনা হলো :

বিষয়ে হেফাজত মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর খাদেম মাওলানা এনামুল হাসান ফারুকী বাবুনগরীর পক্ষ থেকে জানান –

“ঢাকা চট্টগ্রামের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করুন এবং আমার প্রিয় আশরাফ মাহদির নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। এটাই শান্তির পথ,আমরা শান্তি প্রিয়,আমরা সবকিছুই শান্তির জন্য করে থাকি।এই নাটক এবং মিথ্যা মামলা অশান্তির মূল৷”

এ বিষয়ে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি মাওলানা মামুনুল হক দীর্ঘ মতামত প্রকাশ করেন। মাওলানা মামুনুল হকের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিনি লেখেন –

প্রসঙ্গ আশরাফ মাহদি : এ আগুন জ্বলবে কতদূর?

আশরাফ মাহদীর ঘটনা গোটা কওমি মহল ও বাংলাদেশের ইসলামী রাজনীতির অঙ্গনকে ভাবিয়ে তুলেছে ৷ কোন পথে হাঁটছি আমরা ? চলমান সংকটকে কেন্দ্র করে ঘটনা যেভাবে ডালপালা মেলছে, তাতে কোথাকার পানি কোথায় গিয়ে গড়ায় বলা মুশকিল ৷ একটি ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত ইসলামী পরিবারের একজন উচ্চশিক্ষার্থী মেধাবী সন্তান শিক্ষার জন্য বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে বিদেশ থেকে তাকে ধরে আনা-মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ার মতো ঘটনা মনে হচ্ছে ৷ যে মামলার বরাত দিয়ে তার বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সেই মামলাটি আরেক রহস্যময় ঘটনা ৷ আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে যে মামলার আরজিতে “অপকর্ম”কারী বলা হয়েছে ৷ যে মামলার বাদীর ব্যক্তিগত যোগাযোগ নাম্বার হিসেবে প্রদত্ত নম্বরটি নিয়েও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসেছে ভয়ঙ্কর তথ্য ৷ তথ্যটি যদি আসলেই সত্য হয়ে থাকে তাহলে নেপথ্য নায়কদের পরিচয় প্রকাশ হতে আর কিছুর দরকার পড়ে না ৷

ঘটনাপ্রবাহে মোটাদাগে যে কথাগুলো বুঝতে কারো সমস্যা হওয়ার কথা নয়-
১) ওসমান কাশেম নামক ব্যক্তির উপর হামলা ও সেই ঘটনাকে পুঁজি করে দেশের স্বনামধন্য আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তাদের পূর্বপরিকল্পিত ঘটনা ৷
২) আশরাফ মাহদী যে অভিযোগগুলো করেছে সেই অভিযোগগুলোর যুক্তিগ্রাহ্য জবাব দেয়া কিংবা এড়িয়ে যাওয়ার পরিবর্তে মামলা ও জুলুমের পথ বেছে নেয়া সেই মহলটির নৈতিক দেউলিয়াত্বের প্রমাণ ৷
৩) কারো মনে হতেই পারে, যারা তুচ্ছ ফেসবুকের লেখাকে কেন্দ্র করে এত মারমুখী ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে, অতীতে তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সত্য হবে না কেন?
৪) কওমির ব্যাপক ছাত্র জনতার বিরুদ্ধে গুটি কয়েকের একটি অনৈতিক চক্রকে প্রতিপালন ও সহযোগিতা করছে কোন একটি মহল, দুবাই পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ার মত লম্বা যাদের হাত ৷
৫) এমন মামুলি ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজেদের সন্তানের বিরুদ্ধে যারা এতটা হিংস্র হয়ে উঠতে পারে তাদের দ্বারা কী হওয়া সম্ভব, এই প্রশ্নের চেয়ে তাদের পক্ষে কী অসম্ভব ? এমন প্রশ্নই এখন অধিক যুক্তিসম্মত মনে হয়। যে আগুন জ্বালানো হলো, জানি না শেষতক এ আগুন নেভাতে কত লাঞ্চনা অপমান আর জিল্লতির মাশুল গুণতে হয় ৷ রহম কর মাবুদ ৷

এ বিষয়ে পরিচিত কবি ও সাহিত্যিক মুসা আল হাফিজ লেখেন – ….মাহদি এখন বদনজরের সম্মুখীন। রাষ্ট্রিয় নিপীড়নও নেমে অাসতে পারে। মাহদিকে আমি যতটা জানি, জেনে বুঝেই মাহদি এ আগুনে ঝাপ দিয়েছেন। কারণ বিক্রিতি ও বিকৃতির এ মচ্ছবে কাউকে না কাউকে তো রুখে দাঁড়াতে হবেই। এটি সাহসিকতা। কিন্তু মাহদি বিবেচনাবর্জিত নন। তার বিশেষ এক দিক হচ্ছে রাজনৈতিক সচেতনতা ও দৃষ্টি এবং নেতৃত্বগুণ। মাহদি হয়তো জেলে যাবেন। নিপীড়ন বয়ে যাবে তার উপর দিয়ে। কিন্তু সমুদ্রে যে বিছানা পাতে, শিশিরে তার ভয়ের কী আছে? কওমির তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বের একটি জায়গায় মাহদির প্রতিষ্ঠা হয়তো সামনে দেখতে পাবো। এটা হতে হবে রাজনৈতিকভাবে। প্রতিবাদগুলোকে সংগঠিত করতে হবে। এর মধ্য দিয়ে যদি বিবেচনাসম্পন্ন তারুণ্যের নতুন শক্তি মাথা তুলে, এটা হবে বিপর্যয় থেকে পাওনা।

মাওলানা ওয়ালি উল্লাহ আরমান লেখেন –

মজলুম আলেমেদ্বীন মুফতি ফজলুল হক আমিনী রহ. এর নাতি আশরাফ মাহদি এক অদ্ভুত আর উদ্ভট ঝামেলায় মিশর যাবার পথে দুবাই থেকে দেশে ফিরে আসছে। এটা নিতান্তই দুর্ভাগ্যজনক ও হতাশার বিষয় যে, বিদেশে উচ্চশিক্ষারত এক মেধাবি তরুণকে এধরনের ঝামেলায় পড়তে হলো। আইনী প্রক্রিয়াধীন বিষয়ে কথা বলবেন আইনজীবী। কিন্তু এক্ষেত্রে যা হচ্ছে তা সবার জন্যই বিব্রতকর। এই ঘটনা কারো জন্য স্বস্তিদায়ক নয়। আহহহহ! সবখানে কেবল ঘৃণা, বিদ্বেষ, প্রতিহিংসা, প্রতিশোধস্পৃহা, মিথ্যা আর ভাংচুরের পদধ্বনি। কোথাও ভালোবাসা, সৌহার্দ্য কিংবা সম্প্রীতির কিছুই বাকি নেই। আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝ দান করেন এবং আশরাফ মাহদী ন্যায়বিচার পাক সেই কামনা করি।

যুবকন্ঠের সভাপতি মুফতী নেয়ামতুল্লাহ আমিন লেখেন –

যদি তুমি ভয় করো তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাড়াও তবে তুমি বেশ!

ওরা এখন ভয়ঙ্কর মামলা বাজিতে মেতে উঠেছে, হে তরুণ যুব সমাজ!তোমরা জাগো, তোমরা জাগলে দুর্নীতিবাজরা পালাতে বাধ্য হবে যদি তোমরা ভয় পাও তাহলে তাদের মামলাবাজির ভয়ংকর আগুনে দগ্ধ হয়ে হাজারো তরুণ যুবকদের জীবন হুমকির মুখে পড়ে যাবে। মনে রাখবে তোমরা জাগলেই জাগবে দেশ। কারি কারি টাকা কামাই করেছেন আজ তারাই মুফতি আমিনী রহমতুল্লাহি এর প্রতিচ্ছবি ও তার নাতি বাতেলের আতঙ্ক দুর্নীতিবাজদের মুখোশ উম্মোচন কারি তরুন প্রতিভাবান মেধাবী কওমি কৃতিসন্তান আশরাফ মাহদিকে মিথ্যা বানোয়াট ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় মিশরের আল-আজহার ইউনিভারসিটিতে পড়ালেখার জন্য যাওয়ার পথে ট্রানজিট ফ্লাইট ডুবাই থেকে ঠুনকো অজুহাতে গ্রেফতার করে এবং বাংলাদেশ ফিরিয়ে আনার জোরদার তদবির করছে!

আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সাথে সাথে বাংলার কওমি ধামাল তরুণ ছাত্র ও যুব সমাজকে মুফতি আমিনী ওরাহমাতুল্লাহির নাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরোদ্ধে ও বেফাকের দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় গর্জে ওঠার জোর অনুরোধ করছি। সাথে সাথে আমাদের সিনিয়র যুব আলেমদেরকে এবং কওমি মুরুব্বিয়ানে কেরামদেরকে বেফাক ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুর্নীতিবাজমুক্ত বেফাক উপহার দেওয়ার জন্য জোর তৎপরতা চালানোর অনুরোধ করছি।

এ বিষয়ে মাওলানা আবুল হাসনাত আমিনীর বরাত দিয়ে তাকওয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান গাজী ইয়াকুব লেখেন –

মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনী আমাকে আশ্বস্ত করেছেন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই চট্টগ্রামের মামলা এবং ভাগ্নে আশরাফ মাহদীর বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। বিষয়টি নিষ্পত্তিতে উনি আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলে আমাকে জানিয়েছেন। আমরাও চাই তাদের পারিবারিক বন্ধন অটুট রেখে নিজেদের কোনোরূপ সমস্যা থাকলে নিজেরাই সমাধান করে নিবেন।

এ ছাড়াও আরও অনেকেই বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে প্রতিবাদমূখর হয়েছেন এবং চলমান সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানের আশা প্রকাশ করেছেন।

গ্রেটেস্ট পিরামিড ও স্ফিংক্সের রহস্যরাজ্যে একদিন: আশরাফ মাহদি

একজন মুফতি ফয়জুল করিমের প্রতিবাদী কন্ঠস্বর : একটি সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা : আশরাফ মাহদি

মন্তব্য করুন