ফের ২ দিনের রিমান্ডে ডা. সাবরিনা

প্রকাশিত: ৭:৪৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০২০

করোনার নমুনা পরীক্ষায় প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল থেকে বহিষ্কৃত ডা. সাবরিনা আরিফের ফের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শুক্রবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ উর রহমান শুনানি শেষে রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

তেজগাঁও থানার প্রতারণা মামলায় আবারও তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদুর রহমানের আদালত জামিন আবেদন খারিজ করে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সরকারি ডাক্তার হওয়ার পরও জোবেদা খাতুন হেলথকেয়ার (জেকেজি) প্রকল্পে নিয়ম না মেনে চেয়ারম্যান থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ প্রতিষ্ঠান থেকেই তিনি করোনার ভুয়া সনদ দিয়েছেন বলে অভিযোগ পুলিশের।

এর আগে গত ১৪ জুলাই ডা. সাবরিনার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেই রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনা মহামারিতে মানুষের জীবন নিয়ে নির্মম প্রতারণায় নাম উঠে এসেছিলো সাবরিনা চৌধুরী নামে এই প্রতারক চিকিৎসক ও তার প্রতারক স্বামীর নাম। জেকেজি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে বিশদ তদন্ত করতে গিয়েই উঠে আসে তাদের নাম।

জেকেজির ব্যাপারে তদন্ত করে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে কোনো পরীক্ষা না করেই প্রতিষ্ঠানটি ১৫ হাজার ৪৬০ জনকে করোনার টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহ করেছে। একটি ল্যাপটপ থেকে গুলশানে তাদের অফিসের ১৫ তলার ফ্লোর থেকে এই মনগড়া করোনা পরীক্ষার প্রতিবেদন তৈরি করে হাজার হাজার মানুষের মেইলে পাঠায় তারা।

গত ২৪ জুন জেকেজির গুলশান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে আরিফসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। দু’জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। জেকেজির কার্যালয় থেকে ল্যাপটপসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি জব্দ করে পুলিশ। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় মোট চারটি মামলা দায়ের করা হয়। সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের নমুনা সংগ্রহের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে চুক্তি ছিল জেকেজির। পরে ওই চুক্তি বাতিল করা হয়।#####

এনএইচ/পাবলিক ভয়েস

মন্তব্য করুন