করোনা : ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ২৬৮৬, মৃত্যু ৩০, সুস্থ ১৬২৮ জনের

করোনা আপডেট

প্রকাশিত: ৩:১৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০২০

করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই হাজার ৩০৫ জনের মৃত্যু হলো।

এ ছাড়া দেশে নতুন করে আরো দুই হাজার ৬৮৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট এক লাখ ৮১ হাজার ১২৯ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও এক হাজার ৬২৮ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৮৮ হাজার ৩৪ জনে।

আজ শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত নিয়মিত বুলেটিনে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ হাজার ৪৭৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ১৯৩টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো নয় লাখ ২৯ হাজার ৪৬৫টি।

শনাক্ত, সুস্থতা ও মৃত্যুর হার :

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর রোগী শনাক্ত তুলনায় সুস্থতার হার ৪৮ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৭ শতাংশ।

দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়ার কথা জানানো হয় এবং প্রথম মৃত্যু ঘটে গত ১৮ মার্চ। এরপর গত ১৪ এপ্রিল ৩৮তম দিনে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা এক হাজারে দাঁড়ায়। বর্তমানে দেশে এক লাখ ৮১ হাজার ৬৮৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদিকে, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা আজ শনিবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৬৩ হাজার ১৩৭ জনে।বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানার অন্যতম ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে বিশ্বের এক কোটি ২৬ লাখ ৩৯ হাজার ৬৯৫ জন। তাদের মধ্যে বর্তমানে ৪৬ লাখ ৯৮ হাজার ৭৭৫ জন চিকিৎসাধীন এবং ৫৮ হাজার ৬৭৯ জন (১ শতাংশ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে। এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৭৩ লাখ ৭৭ হাজার ৭৮৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

মন্তব্য করুন