দক্ষিনবঙ্গে ১৮ হাজার পরিবারকে সহায়তা দিল ‘খেদমতে খলক ফাউন্ডেশন’

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি

প্রকাশিত: ৭:০৯ অপরাহ্ণ, মে ১৪, ২০২০

দেশের দক্ষিনবঙ্গের খুলনা বিভাগে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সৃষ্ট সংকটে অসহায়দের প্রতি সহায়তায় ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে দক্ষিনবঙ্গে ওলামায়ে কেরামদের তত্বাবধানে পরিচালিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘খেদমতে খলক ফাউন্ডেশন’।

ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ‘দ্বীনী মেহনত’ এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘খেদমতে খলক ফাউণ্ডেশন’ এর উদ্যোগে দক্ষিনবঙ্গের প্রায় ১৮ হাজার পরিবারকে এ পর্যন্ত সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে।

ফাউন্ডেশন পরিচিতির বিস্তারিত বর্ননায় জানানো হয় – দক্ষিণবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাদীনাতুল উলুম’ (মাসনা মাদরাসা) -এর পরিচালক, ‘ঢাকা মাসনা মাদরাসা’ এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতী ইয়াহইয়ার ‍ভক্তবৃন্দের মাধ্যমে পরিচালিত একটি সংস্থা হলো ‘খেদমতে খলক ফাউণ্ডেশন’ (আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত একটি জনকল্যাণমূলক সংস্থা)।

সাম্প্রতিক করোনা ভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যেই ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ‘খেদমতে খলক ফাউণ্ডেশন’।

সহায়তা কার্যক্রমের বিবরনীতে বিতরণ টিমের সমন্বয়ক মুফতি আজিমুদ্দীন বলেন, চলমান পরিস্থিতিকে সামনে রেখে ‘দ্বীনী মেহনত’ এর তত্ত্বাবধানে ‘খেদমতে খলক ফাউণ্ডেশন’ এর উদ্যোগে বৃহত্তর খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার ৬৩টি উপজেলায় ৮০টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। যেসব কেন্দ্র থেকে সহযোগিতা পাচ্ছে মোট ১৮ হাজার পরিবার। ইতিমধ্যে কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা, নড়াইল, খুলনা, বাগেরহাট এবং সাতক্ষীরার সকল থানায় বিতরন শেষ হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। বর্তমানে যশোর জেলার বিভিন্ন থানায় বিতরণ চলছে।

তিনি জানান, আমাদের বর্তমান ফান্ড অনুযায়ী আপাতত ৬১ টন আটা, ৪০ টন চাউল এবং ২৫ টন ডাল বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সাথে সহযোগিতার এই ধারা অব্যহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমাদের ইচ্ছা এই সহযোগিতার পরিধি আরো ব্যাপক করা। আমরা সকলের কাছে দোআ চাই, আল্লাহ তাআলা আমাদের এই সামান্য খিদমাতকে কবুল করেন। একই সাথে তিনি বলেন- আমাদের এই খিদমাতে যে কারো শরীক হওয়ার সুযোগ রয়েছে। মূল কেন্দ্র (মাসনা মাদরাসা মনিরামপুর,যশোর) কিংবা শাখা কেন্দ্রে (প্রতিটি থানা/জেলা) যোগাযোগ করে আপনিও এতে শরীক হতে পারবেন।

বিতরণের বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থিত ছিলেন, আহসানুল্লাহ শরিফী- উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মনিরামপুর, যশোর। মাহমুদুল হাসান -মেয়র মনিরামপুর পৌরসভা, যশোর। শিকদার মতিউর রহমান-ওসি তদন্ত, মনিরামপুর, যশোর। মাওলানা মুশতাক আহমাদ সাহেব-সভাপতি, জেলা উলামা পরিষদ, খুলনা। মাওলানা আনোয়ারুল করিম-সভাপতি, জেলা ইমাম পরিষদ, যশোর। মাওলানা আ: হামীদ সাহেব-সভাপতি, উলামা পরিষদ, কুষ্টিয়া। মুফতী শহীদুল ইসলাম সাহেব-সভাপতি, উলামা পরিষদ, ঝিনাইদহ। মুফতী হাফিজুর রহমান সাহেব- সেক্রেটারী, জেলা উলামা পরিষদ, মেহেরপুর। মাওলানা মুস্তফা কামাল সাহেব-সেক্রেটারী, উলামা পরিষদ, চুয়াডাঙ্গা। মুফতী সাইফুল্লাহ সাহেব- সহ সভাপতি, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া, সাতক্ষীরা। মুফতী যাকারিয়া সাহেব- সভাপতি, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া, বাগেরহাট। মুফতী মুহাম্মদুল্লাহ সাহেব- মাগুরা প্রমুখ।

আরআর/পাবলিক ভয়েস

মন্তব্য করুন