প্রতিদিনের তারাবীহ’র তেলাওয়াতকৃত আয়াতের তাৎপর্য : ১৬ তম রমজান

প্রকাশিত: ৪:১০ অপরাহ্ণ, মে ৯, ২০২০

[পূর্ব প্রকাশের পর]

আজকে সালাতুত তারাবীহে পঠিতব্য অংশের সংক্ষিপ্ত আলোচনা

১৯ নং পারা

সুরা ফুরকান মক্কায় অবতীর্ণ সুরা৷ এতে ৭৭ টি আয়াত ও ৬ টি রুকু রয়েছে৷ এই সুরার প্রথম দুই রুকু ১৮ নং পারার শেষের দিকে চলে গেছে৷ কুরআনে কারীমের আলোচনার মাধ্যমে সুরাটি শুরু হয়েছে৷ এই কুরআনের উপর মুশরিকরা নানা রকমের সংশয় ও আপত্তি উত্থাপন করে৷ আয়াতসমূহকে মিথ্যা সাব্যস্ত করে৷ একদল লোক তো কুরআনকে পূর্বেকার উম্মতের কিচ্ছা-কাহিনি সম্পর্কিত রচনা বলে৷ দ্বিতীয় আরেকদল বলে, এটি মুহাম্মদের বানানো৷ আহলে কিতাব নাকি এই কুরআন বানাতে সহযোগিতা করেছে (নাউযুবিল্লাহ)৷ আরেকদলের ধারণা হলো, এটি মুহাম্মদের যাদু (নাউযুবিল্লাহ)৷ (১-৬)

এরপর রাসুল ﷺ এর আলোচনা এসেছে৷ বিদ্বেষপূর্ণ লোকেরা তাঁকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার কথা এসেছে৷ তাদের ধারণা ছিলো, নবী মানুষ নয়, ফেরেশতা হবেন৷ আর যদি কোনো মানুষ নবী হন-ও, তাহলে স্বচ্ছল ও সমৃদ্ধশালী লোক নবী হবেন৷ কোনো গরীব, ইয়াতিম এই পদে ভূষিত হবে না৷ আল্লাহ তাআলা এসব খামখেয়ালিপনা কথা ও অযথা দাবির খণ্ডন করলেন৷ (৭-৯)

১৯ নং পারাও শুরু হয়েছে তাদের এই অবাস্তব ও অনর্থক দাবির মাধ্যমে যে, আমাদের কাছে ফেরেশতা আসেন না কেন? অথবা আমরা আল্লাহকে দেখব৷ এর জবাবে বলা হলো, ফেরেশতাকে তখনই দেখা যাবে, যখন তারা মৃত্যুর সময় প্রাণ সংহার করতে আসবেন৷ জানা কথা তখন কারো জন্যে কোনো সুসংবাদ হবে না৷ আর কিয়ামতের দিন ঈমান না থাকার কারণে তাদের কোনো আমলও গ্রহণযোগ্য হবে না৷ সব ছাই হয়ে উড়ে যাবে৷ তারা কেবল আফসোস আর পরিতাপ করতে থাকবে৷ (২১-২৩)

সেদিন আল্লাহর রাসূল অভিযোগের সুরে বলবেন, “হে আমার পালনকর্তা! তারা এই কুরআনকে ত্যাগ করে দিয়েছিল৷” (৩০)

 

ইবনুল কায়্যিম রাহ, বলেন: কুরআন ত্যাগের কয়েকভাবে হতে পারে৷
এক. তারা কুরআন শ্রবণ করবে না, তার উপর ঈমান আনবে না৷
দুই. কুরআন তিলাওয়াত করবে, এর উপর ঈমানও আনবে৷ কিন্তু কুরআনের উপর আমল করবে না৷
তিন. জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্র ও উদ্ভূত সমস্যায় কুরআনের হুকুম বাস্তবায়ন করবে না৷ কুরআনকে ফয়সালাকারী বানাবে না৷
চার. কুরআনের অর্থের প্রতি গভীর চিন্তা ও তাদাব্বুর করবে না৷
পাঁচ. কুরআন থেকে আত্মিক রোগের চিকিৎসা গ্রহণ করবে না৷

প্রিয় পাঠক! সামনে অগ্রসর হবার আগে আমরা একটু থামি, তারপর পুরো উম্মতের ব্যাপারে একটু চিন্তা করি যে, আজ আমরা কুরআনকে কি পরিমাণ ত্যাগ করেছি৷ যেখানে আমরা ধ্বংসাত্মক রূহানি ও আখলাকি রোগে আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও কুরআনি চিকিৎসা আমরা গ্রহণ করছি না৷ অথচ সন্দেহাতীতভাবে কুরআনে রয়েছে সব রোগের চিকিৎসা৷ যার ফলে আমাদের রোগ শুধু বাড়ছে আর ধ্বংসের দিকে আমরা অগ্রসর হচ্ছি৷

মুশরিকরা প্রশ্ন উত্থাপন করল তাওরাত, ইনজিলের মতো কুরআন কেন একসঙ্গে নাযিল হলো না? অথচ ধীরে ধীরে কুরআন নাযিলের মধ্যে কত উপকার৷ যেমন হিফয করা, অর্থ বোঝা, বিধানাবলী আহরণ করা এবং আমলে বাস্তবায়িত করা সহজ হয়ে আসে৷ কিন্তু এখানে আল্লাহ তাআলা একটি কারণ উল্লেখ করেছেন যে, এতে করে আপনার অন্তর কুরআনের নূরে নূরান্বিত হবে৷ কুরআনের অন্তর্নিহিত বিষয়াবলী এবং ইলম আপনার অন্তরের খোরাক হবে, শক্তি হাসিল হবে৷ একসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বৃষ্টি ক্ষেতের জন্য ক্ষতিকর, অথচ সময়ে সময়ে বৃষ্টি বর্ষণ ফসলের জন্য খুবই উপকারি হয়ে থাকে৷ (৩২)

এই সুরার শেষের দিকে আল্লাহর বিশেষ বান্দাদের ১৩ টি গুণাগুণ আলোচনা করা হয়েছে৷
এক. যমীনে বিনয়াবনত হয়ে চলা৷
দুই. মূর্খদের থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা৷
তিন. রাতে নামায ও ইবাদতে লিপ্ত থাকে৷
চার. জাহান্নামের আযাবের ভয় অন্তরে বিরাজ করে৷
পাঁচ. খরচ করার ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করে৷ অপব্যয়ও করে না, কৃপণতাও করে না৷
ছয়. শিরক থেকে সম্পূর্ণরূপে বেঁচে থাকে৷
সাত. অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা থেকে বিরত থাকে৷
আট. ব্যভিচার এবং চরিত্রহীন কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে৷
নয়. মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া থেকে বিরত থাকে৷
দশ. গান-বাজনা এবং খারাপ বৈঠক থেকে দূরত্ব বজায় রাখে৷
এগারো. আল্লাহর কালাম শুনে প্রভাবিত ও উপকৃত হয়৷
বারো. আল্লাহ তাআলার কাছে নেককার স্ত্রী-সন্তান লাভএবং পথপ্রদর্শক বানানোর দুআ করে৷ (৬৩-৭৪)

আল্লাহ তাআলা এই গুণগুলো আমাদের মধ্যে সৃষ্টি করে দিন৷ আমীন৷

সুরা শু’আরা মক্কায় অবতীর্ণ সুরা৷ ২২৭ টি আয়াত এবং ১১ টি রুকু রয়েছে৷ হুরূফে মুকাত্তা’আত দ্বারা শুরু হয়েছে এবং স্বাভাবিক নিয়মে কুরআনের আলোচনা হয়েছে৷ রাসূলে আকরাম ﷺ কুরআনের ইলম ও বিধিবিধান পৌঁছাতে এবং মানুষের হেদায়াতের ফিকির করতে গিয়ে নিজের প্রাণকে ঝঁকির মধ্যে ফেলে দিতেন৷ (২-৩)

অন্যদিকে বিরুদ্ধবাদীদের এই নিয়ম ছিলো যে, তাদের সামনে হেদায়াত এবং উপদেশমূলক যে কথাই আসুক, এর থেকে থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়াকে তারা জরুরি মনে করত৷ (৫-৬)

এরপর এই সুরায় কয়েকজন আম্বিয়া কেরামের কাহিনি আলোচনা করা হলো৷ মুসা আলাইহিস সালামের কাহিনির সূচনা করা হলো প্রথমে৷ তাঁকে আল্লাহ তাআলা নবুওয়াত দান করলেন৷ ফেরাউনের কাছে দাওয়াত নিয়ে যাওয়ার হুকুম করলেন৷

দাওয়াত নিয়ে যাওয়ার পর মুসা আলাইহিস সালাম ও ফেরাউনের কিছু কথোপকথন-
ফেরাউন: আমি তোমাদের লালন-পালন করেছিলাম৷
মুসা: তোমার অনুগ্রহ প্রকাশের কী অধিকার থাকতে পারে? অথচ তুমি আমার সম্প্রদায়ের লোকদের গোলাম বানিয়ে রেখেছ৷
ফেরাউন: মুসা আলাইহিস সালাম কর্তৃক কিবতি হত্যার কথা স্মরণ করিয়ে দিলো৷
মুসা: আমি ইচ্ছা করে হত্যা করি নি৷ বরং ভুলে ঘটনাটি সংঘটিত হয়ে গেছে৷
ফেরাউন: ‘রাব্বুল আলামীন” কাকে বলে৷
মুসা: এই আসমান-যমীন যিনি সৃষ্টি করেছেন৷ সমস্ত মাখলুকাতকে সৃষ্টি করেছেন৷ তোমাকেও যিনি সৃষ্টি করেছেন৷ তোমার বাপ-দাদাকেও যিনি সৃষ্টি করেছেন৷
ফেরাউন ধমক দিয়ে উঠলো৷ এই কথাগুলোর দলিল চাইল৷ মু’জিযা দেখানোর কথা বলল৷ তিনি লাঠি জমিনে রাখতেই ভয়ঙ্কর সাপ হয়ে উঠল৷ (১০-২৮)

দ্বিতীয় কাহিনি ইবরাহীম আলাইহিস সালামের৷ যাঁর পিতা আযর এবং কওমের লোকেরা মূর্তিপূজা করত৷ তাদেরকে ঈমান ও তাওহিদের দাওয়াত দিলেন৷ দলিল হিসেবে আল্লাহ তাআলার পাঁচ সিফাতের বর্ণনা দিলেন

১, তিনি আমার স্রষ্টা এবং পথপ্রদর্শক৷ ২, তিনি রিযিকদাতা৷ ৩, তিনি আরোগ্যদাতা৷ ৪, তিনি জীবন-মরণ দান করেন৷ ৫, তিনি ইহ ও পরকালে গোনাহ মাফ করেন৷

এই পাঁচ সিফাতের মোকাবেলায় পাঁচটি দুআ করলেন-

১, হে আল্লাহ! আমাকে ইলম ও বুঝ দান করুন৷
২, মানুষের কাছে আমার ইতিবাচক আলোচনা জারি করে দিন৷
৩, জান্নাতে আমাকে জায়গা করে দিন৷
৪, আমার বাবাকে মাফ করে দিন৷ (তখন বাবার কুফরের উপর অবিচলতার বিষয়টি স্পষ্ট ছিলো না)
৫, আমাকে পরকালে অপদস্থ করবেন না৷

হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামের কাহিনি থেকে আমরা এই শিক্ষা পেলাম যে, সর্বাবস্থায় মানুষের জন্য আল্লাহ তাআলার প্রতিই মনোযোগী হওয়া উচিত৷ (৪৯-১০৪)

তৃতীয় কাহিনি হযরত নূহ আলাইহিস সালামের৷ যিনি স্বীয় সম্প্রদায়কে সাড়ে নয় শো বছর ঈমানের দাওয়াত দিয়েছিলেন৷ কিন্তু সামান্য মানুষ ছাড়া তারা দাওয়াত কবুল করে নি৷ আল্লাহ তাআলা তাদেরকে ডুবিয়ে মারলেন৷ (১০৫-১২২)

চতুর্থ কাহিনি হযরত হুদ আলাইহিস সালামের৷ যিনি আ’দ গোত্রের নবী ছিলেন৷ তাদেরকে আল্লাহ তাআলা শারীরিক শক্তি, বয়স, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন ইত্যাদি নিয়ামত দান করেছিলেন৷ অপ্রয়োজনে তারা বড় বড় অট্টালিকা নির্মাণ করত৷ তারাও ঈমান গ্রহণ করে নি৷ আল্লাহ তাআলা তাদেরকেও আযাব দিয়ে ধ্বংস করে দিলেন৷ (১২৩-১৪০)

পঞ্চম কাহিনি হযরত সালেহ আলাইহিস সালামের৷ তাদেরকেও আল্লাহ তাআলা অনেক সমৃদ্ধি দান করেছিলেন৷ অনেক নিয়ামত দান করেছিলেন৷ কিন্তু তারা নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে নি৷ উল্টো অকৃতজ্ঞতা ও অবাধ্যতায় জড়িয়ে পড়ার কারণে পরিণতি খুবই ভয়াবহ হয়৷ তারা সবাই ধ্বংসে নিপতিত হয়৷ (১৪১-১৫৯)

ষষ্ঠ কাহিনি হযরত লূত আলাইহিস সালামের৷ যাঁর সম্প্রদায়ের লোক নাফরমানি, অন্যায়, প্রবৃত্তির পূজা, মন্দ স্বভাব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল৷ তারা এমন বদ-স্বভাবে জড়িয়ে পড়েছিল যে, এর পূর্বে কেউ এমন কাজে জড়ায় নি৷ আল্লাহ তাআলা তাদেরকে সেরকম বেনজির আযাব দিয়ে ধ্বংস করে দিলেন৷ (১৬০-১৭৫)

সপ্তম কাহিনি হযরত শুয়াইব আলাইহিস সালামের৷ তাঁর সম্প্রদায়কে আল্লাহ তাআলা নানা রকমের নিয়ামত দিয়েছিলেন৷ নানা কিসিমের বাগ-বাগিছা, নহর ইত্যাদি৷ কিন্তু তারাও আল্লাহর নাফরমানিতে লিপ্ত হয়ে গেলো৷ তাদের অন্যতম গোনাহ ছিলো, তারা বান্দার হক আদায় করত না৷ বোঝানোর পরও যখন তারা ফিরল না, আল্লাহ তাআলা তাদের উপর আযাবের ফয়সালা করে দিলেন৷ অগ্নিবৃষ্টি আর ভূমিকম্পের মাধ্যমেই তারা কয়লা হয়ে গেলো৷ (২২১-২২৩)

সুরার শেষের দিকে সাধারণ কবিদের আলোচনা করা হয়েছে৷ যারা আল্লাহকে ভুলে কাব্যরচনা করে৷ গোমরাহীর অনুসরণ করে৷ আবার ঈমানদার ও নেক আমলওয়ালা কবিদের প্রশংসাও করা হয়েছে৷ (২২৪)

সুরা নামল মক্কায় অবতীর্ণ সুরা৷ এতে ৯৩ টি আয়াত এবং ৭ টি রুকু রয়েছে৷ নামল অর্থ পিঁপড়া বা পিপীলিকা৷ যেহেতু এই সুরায় পিঁপড়ার কাহিনি বিবৃত হয়েছে, তাই এই নামে নামকরণ করা হয়েছে৷

এই সুরায় হযরত মুসা, সালেহ ও লূত আলাইহিমুস সালামের কাহিনি সংক্ষেপে আলোচিত হয়েছে৷ আর হযরত দাউদ ও তদীয় পুত্র হযরত সুলাইমান আলাইহিমাস সালামের আলোচনা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে৷ হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালামকে আল্লাহ তাআলা মানুষ, জিন এবং পাখিদেরকে বশীভূত করে দিয়েছিলেন৷ তিনি পাখিদের ভাষাও বুঝতেন৷

একদিন সুলাইমান আলাইহিস সালাম সৈন্যবাহিনী নিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন৷ যখন পিঁপড়াদের বসতি অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন, তখন শুনলেন এক পিঁপড়া আরেক পিঁপড়াকে বলছে, জলদি ঘরে প্রবেশ করো, সুলাইমান ও তাঁর সৈন্যবাহিনী অজান্তেই তোমাদের পিষ্ট করে ফেলতে পারে৷ তিনি তাদের তাদের কথোপকথন শুনলেন এবং মুচকি হাসলেন৷ আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করলেন৷

সুলাইমান আলাইহিস সালামের দরবারে নিয়মিত উপস্থিতির মধ্যে এক উল্লেখযোগ্য পাখি ছিলো, যার নাম হুদহুদ৷ সে একদিন তাঁকে এক সাবা সম্রাজ্ঞী ও তার সম্প্রদায়ের ব্যাপারে এই সংবাদ দিলো যে, তারা সূর্যের পূজা করে৷ তিনি চিঠি পাঠিয়ে সম্রাজ্ঞী সাবাকে তাঁর দরবারে ডেকে পাঠালেন৷ সম্রাজ্ঞী প্রথমে নিজের শক্তির উপর অনেক আস্থাশীল থাকলেও সুলাইমান আলাইহিস সালামের শক্তি-সামর্থের কাছে হার মানতে বাধ্য হলো৷ দরবারে উপস্থিত হলেন৷ তারপর সম্রাজ্ঞী ঈমান গ্রহণ করে নিলেন৷

সুলাইমান আলাইহিস সালামের সঙ্গে সম্রাজ্ঞী বিলকিসের বিয়ে হয়েছিল কি না এ বিষয়ে কুরআন-সুন্নাহে স্পষ্ট কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না৷ আমাদের এ বিষয়ে খোঁজ নেয়ারও তেমন প্রয়োজন নেই৷ যেহেতু কুরআন বা হাদীস এ বিষয়ে নিরব৷

তবে ইবনে আসাকির হযরত ইকরিমা থেকে বর্ণনা করেন যে, এরপর হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালামের সাথে বিলকিস পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হয়ে যান৷ এবং তাকে তার রাজত্ব বহাল রেখে ইয়ামনে পাঠিয়ে দেয়া হয়৷ প্রতিমাসে সুলাইমান আলাইহিস সালাম সেখানে গমন করতেন এবং তিনদিন অবস্থান করতেন৷ (মা’আরিফুল কুরআন) আল্লাহু আ’লাম৷

[প্রতিদিন আসরের পর ইসলামী লেখক ও খতীব মুফতী জিয়াউর রহমান লিখিত ওই দিনের তারাবীহ’র আলোচনা প্রকাশ করা হবে। পড়তে পাবলিক ভয়েসের ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজ ফলো করুন]

আগের পর্ব পড়তে ক্লিক করুন

মন্তব্য করুন