সাড়ে ৫ কোটি শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পোষাতে নেয়া হতে পারে আলাদা উদ্যোগ

প্রকাশিত: ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২২, ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৬ মার্চ থেকে দেশে চলছে সাধারণ ছুটি। তিন ধাপে বাড়িয়ে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে এ ছুটি। সাধারণ ছুটির পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বা অফিস-আদালতের মতো বন্ধ রয়েছে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতে শিক্ষার্থীরা বেশ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

এদিকে, সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে আগামী ১ মে পর্যন্ত করার একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি অনুমোদন দিলে ছুটি বাড়বে। পাশাপাশি দুই দিন পর শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। ফলে আগামী ঈদুল ফিতরের আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যে খুলছে না সেটা অনেকটা নিশ্চিত।

ফলে দীর্ঘ সময় একাডেমিক কার্যক্রম না থাকায় বেশ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে দেশের প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি শিক্ষার্থী। সেই ক্ষতি কীভাবে পোষানো যায় তা নিয়ে আজ আলোচনা করেছে দেশের ১১টি শিক্ষাবোর্ডের প্রধানদের মধ্যে।

জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পোষাতে একাডেমিক কালেন্ডার অনুযায়ী ঐচ্ছিক শিক্ষা ছুটি কমানোর করার কথা ভাবা হচ্ছে। সেইসঙ্গে বাড়ানো হবে শিক্ষার্থীদের ক্লাসের সময়।

যেমন- আগামী ঈদুল আজহার ছুটি ১৫ দিনের স্থলে ১০ দিন এবং দুর্গাপূজার ছুটি ৭ দিনের জায়গায় ৩ দিন করা হতে পারে বলে আলোচনা হয়েছে। সেইসঙ্গে ক্লাসের সময় ৪০ মিনিটের পরিবর্তে ১ ঘণ্টা করা হতে পারে।

তবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও তা এখনও চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের যে ক্ষতিটা হয়েছে, সেটার যাতে কিছুটা হলেও পুষিয়ে নেওয়া যায় সেজন্য ছুটিগুলোর সমন্বয় করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে বিষয়টা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এগুলো স্টাডির করে দেখার পর ঊর্ব্ধতন মহলে জানানো হবে। তার পর সেটা চূড়ান্ত হতে পারে।

জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহাবুব হোসেনের সঙ্গে মঙ্গলবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্টসহ সংশ্নিষ্টদের ভিডিও কনফারেন্স হয়। সেখানে এসব বিষয় নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।

এমএম/পাবলিকভয়েস

মন্তব্য করুন