ঘরে নামাজ পড়া সম্পর্কে শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের মতামত

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি

প্রকাশিত: ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৭, ২০২০

পাবলিক ভয়েস: বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে পৃথিবীরি প্রায় সব দেশেই সর্ব প্রকার লোক জমায়েত নিষিদ্ধ করছে সরকার। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষ পন্ডিতরা এ ব্যাপারে জন সমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন।

মুসলমানদের পবিত্র ভূমি মক্কা-মদিনায় দুই পবিত্র মসজিদ মসজিদ আল হারাম এবং মসজিদুন নববীতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজসহ জুমআর নামাজ সীমিত করা হয়েছে। শুধুমাত্র মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, নিরাপত্তা কর্মী ও খাদেমগণ ব্যাতিত সর্বসাধারণের জন্য জামাত স্থগিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশেও সোমবার (৬ এপ্রিল) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাখাওয়াৎ হোসেন স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে- থকিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ব্যতিত মুসুল্লিদের নিজ নিজ ঘরে নামাজ আদায়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূরীকরণ ও ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি কী তা তুলে ধরতে পাবলিক ভয়েসের পক্ষ থেকে আমরা দেশের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন বিজ্ঞ আলেমের মুখোমুখি হয়েছিলাম।

ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে দারুল উলুম হাটহাজারীর মহাপরিচালক, দেশের শীর্ষ বুজর্গ আলেম, শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী বক্তব্য দিয়েছেন। ‘মসজিদ বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা ইসলামী শরিয়তে সঠিক’ বলে তিনি উল্লেখ্য করেছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর: খতিব, ইমাম, মুআজ্জিন, ছাড়া মুসুল্লিরা ঘরে নামাজ পড়ুন : ধর্ম মন্ত্রনালয়

এ ব্যাপারে পাবলিক ভয়েসের পক্ষ থেকে আমরা দেশের অন্যতম শীর্ষ ও বিজ্ঞ আলেম আল্লামা মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ, আল্লামা হারুন আল মাদানী, মুফতী মুস্তাকুন নবীসহ দেশের বেশ কয়েজন ইসলামী পন্ডিত ওলামায়ে কেরামের সাথে কথা বলি। কথা বলেছেন পাবলিক ভয়েসের যুগ্ম সম্পাদক শাহনূর শাহীন। পাঠকের জন্য কথোপকথোনের বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:

এ ব্যাপারে শায়খ জাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার ঢাকা এর প্রতিষ্ঠাতা ও মহাপরিচালক আল্লামা মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ বলেন, মার্চের ২৯ তারিখের মিটিংয়ে দেশের বড় বড় ওলামায়ে কেরাম উপস্থিত ছিলেন। দেশের আলেম ওলামাদেরকে নিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বসেছিলো সেদিন।

আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাহেব ছিলেন, মুফতী আব্দুল মালেক সাহেব ছিলেন, আমিও ছিলাম, আরো অনেকেই ছিলেন। তখন আমরা পরিস্থিতি অনুযায়ী ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে সীমিতভাবে মসজিদে আসার পরামর্শ দিয়েছিলাম। শর্ত সাপেক্ষে আসবে সতর্কতার সাথে। এক শ্রেণির মানুষ আসবে, এক শ্রেণির মানুষ আসবে না। অর্থাৎ যারা অসুস্থ তারা ঘরে নামাজ পড়বেন।

মুফতী মিজানুর রহমান বলেন, সেই বৈঠকেই আমরা বলেছিলাম, দেশে যদি আরো কঠিন অবস্থা সৃষ্টি হয়। সরকার ইচ্ছা করলে সুনির্দিষ্ট করতে চায় পারবে। ওই সিদ্ধান্তের আলোকে সরকার এক সপ্তাহের পর্যবেক্ষণে দেখেছে দেশের অবস্থা অবনতি হচ্ছে। এরপর গতকাল সরকার আবার পরামর্শ করেছে আমাদের সাথে।

  • আল্লামা মিজানুর রহমান আরো বলেন, আমরা মত দিয়েছি, ওয়াক্তিয়া নামাজে জামাত হওয়ার জন্য ইমামসহ ৩ জন এবং জুমাআর নামাজের জন্য ৪ জন আবশ্যক হয়। এ ক্ষেত্রে সরকার যদি নির্দিষ্ট করে দেয়। জামাত চালু রাখার জন্য মুসুল্লি সংখ্যা সুনির্দিষ্টট করে দেয় তাতে আমাদের আপত্তি থাকবে না।

ওয়াক্তিয়া নামাাজের জন্য ৫ জন এবং জুমার জন্য সর্বোচ্চ ১০ জন নির্দিষ্ট করেছে। এতে মসজিদও আবাদ থাকলো। কাউকে মসজিদে আসারও প্রয়োজন থাকলো না। এতে করে কেউ গোনাহগার হবে না।

আরও পড়ুন :  ঘরে বসে ইবাদাত করুন 

তিনি বলেন, সবাই এখন নিজ ঘরে আপন আপন জায়গায় নামাজ পড়বে। সম্ভব হলে জুম’আ পড়তে পারলে পড়বে, নয়তো জোহর জামাতে পড়তে পারলে পড়বে। না পারলে একা একা পড়বে। আর এক্ষেত্রে সবাই শরীয়তের দৃষ্টিতে মাজুর বলে বিবেচিত হবে। সেই হিসেবে প্রত্যেকেই জামাআতের সওয়াব পাবে।

সুতরাং আমরা মুসুল্লিদের বলবো সবাই ঘরে থাকবেন, আবার মসজিদওয়ালাদের বলবো মসজিদ চালু রাখবেন। একেবারে বন্ধ করবেন না। বন্ধ করলে কবীরা গূনাহ হবে। এছাড়া আসন্ন শবে বরাত নফল ইবাদাত একাকী ইবাদের আমল। এক্ষেত্রে ঘরে পড়া এমনিতেই উত্তম হবে। কেউ মসজিদে আসবে না, ঘরে বসে আল্লাহকে ডাকবেন, ইবাদাত বন্দেগি করবেন।

মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ আরো বলেন, সরকার যদি জনস্বার্থে শরীয়ত বিরোধী নয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয় সেক্ষেত্রে তা মান্য করা জরুরি। সুতরাং সরকার যে ঘোষণা দিয়েছে মসজিদে মুসুল্লিদের না যাওয়ার ব্যাপারে সেটা ওলামায়ে কেরামের পরমার্শ মোতাবেকই নিয়েছে। সুতরাং সবার জন্য এটা অনুসরণ করা কর্তব্য।

রাজধানীর মিরপুর আকবর কমপ্লেক্সের মহাপরিচালক আল্লামা মুফতী দিলাওয়ার হোসাইন  এ বিষয়ে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘(ওমান আযলামু মিম্মান মাসাজিদাল্লাহু…) গত মার্চ মাসের ২৯ তারিখ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিজ্ঞ আলেমদেরকে ডাকা হয়েছিলো। সেখানে মুফতী মিজান দা.বা. মুফতী আব্দুল মালেক সাহেব দা.বা. উপস্থিত ছিলেন, আমিও উপস্থিত ছিলাম।

আল্লামা দিলাওয়ার হোসাইন বলেন, সেদিন যে সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করা হয়েছিলো সে ব্যাপারে পক্ষে বিপক্ষে কিছু কথা বার্তা সামনে এসেছে। সেখানে একটি কথা ছিলো- মসজিদে জামাত চালু থাকবে তবে সীমিত আকারে চালু থাকবে। সীমিত হওয়ার ব্যাখ্যা তাও তুলে ধরা হয়েছিলো। তবে একটু অস্পষ্টতা ছিলো। সে জন্য এ বিষয়ে ব্যাখ্যা তুলে ধরার জন্য এখন লাইভে আসা।

তিনিবলেন, আমি যে আয়াতে কারীমা তেলাওয়াত করেছি এর আলোকে মসজিদ আবাদ রাখা ফরজে কেফায়া। এই ফরজে কেফায়া আদায়ের লক্ষ্যে যে কয়জন মানুষ উপস্থিত থাকলে জামাত সংঘঠিত হয়, যেমন পাঞ্জেগানা নামাজে ইমাম ব্যতিত ২ জন মুসুল্লি এবং জুমআর নামাজে ৩ জন মুসুল্লি হলেই পরিপূর্ণ জামাত হয়।

অতএব যদি ইমাম-মোয়াজ্জিন, খাদেম এবং আরো কয়েকজন মুসুল্লি মিলে ওয়াক্তিয়া জামাতে কমপক্ষে ৩ জন এবং জুমাআয় ৪ জন উপস্থিত হয় তবে ফরজে কেফায়া আদায় হয়ে যাবে। অন্যদের জন্য জামাতে শরীক হওয়া সুন্নতে মুয়াক্কাদা। এখন কিছু কিছু ওজরের কারণে সুন্নাতে মুয়াক্কাদা ছেড়ে দেওয়ার বৈধতা আছে। যেমন ঠান্ডা বেড়ে গেলে মসজিদ পর্যন্ত যেতে যদি অসুস্থতা বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে বা রোগ সৃষ্টি কিংবা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে মসজিদে না যাওয়া, জামাত ছেড়ে দেওয়ার অবকাশ আছে।

আল্লামা দিলাওয়ার হোসাইন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জমায়েত হতে গেলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রবল ধারণা রয়েছে। এই অবস্থায় জামাত ছাড়ার অবকাশ আছে। মসজিদে জামাত কায়েম হতে যেই কয়জন মানুষ জামাত আদায়ের জন্য আবশ্যক হয় ওই কয়জন মসজিদে জামাত কায়েম রাখবে। বাকীরা নিজ নিজ ঘরে নামাজ পড়বে। যদি এ ব্যাপারে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয় জামাত সীমিত করার, শরীয়তের দৃষ্টিতে তা অবৈধ হবে না।

আল্লামা দিলাওয়ার হোসাইন আরো বলেন, সামনে আগামী বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত শবে বরাত। গূরুত্বপূর্ণ ফজীলতের রাত। এ রাতে মসজিদে না গিয়ে নিজ নিজ ঘরে কান্নাকাটি করি, তাওবা ইস্তেগফার করি, ইবাদাতে কাটাই এবং এই মসিবত দূর হওয়ার জন্য আল্লাহ পাকের কাছে জোর দরখাস্ত জানাই। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন-ই এই মসিবত দূর করতে পারেন এবং করবেন।

মসজিদ বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা ইসলামী শরিয়তে সঠিক : আল্লামা শফি

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুরের টুমচর ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল আল্লামা হারুন আল মাদানী এ বিষয়ে পাবলিক ভয়েসকে বলেছেন, বিপদ-আপদে সতর্ক হওয়া উচিত। আমাদের বাংলাদেশের মানুষ সতর্ক হচ্ছে না। মসজিদে মাস্ক পড়ে আসা উচিত। কিন্তু কেউ আসছে না। সতর্কতা রেখে মসজিদে আসার পথটা উন্মুক্ত রাখা দরকার।

তিনি বলেন, ইউরোপের দেশগুলোতে এতো সতর্কতার পরও কিন্তু বেঁচে থাকা যাচ্ছে না। আমাদের কথা হলো শুধু সতর্কতা দিয়ে বাঁচা যাবে না, আল্লাহকেও ডাকতে হবে।

‘কিন্তু সরকার তো আজকে অলরেডি নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছে মসজিদে না আসার জন্য?’ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাবলিক যে আইন মানে না এজন্য সরকার এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হইছে। আমাদের এলাকায় মসজিদগুলোতেও দেখি পাবলিক মাস্ক পড়ে আসে না। এখন পাবলিক মাস্ক পড়ে আসতে পারলে আসবে, না পারলে আসবে না।

ইমাম সাহেবদের করণীয় সম্পর্কে তিনি বলেন, ইমাম সাহেবরা তো কাউকে মসজিদ থেকে বের করে দিতে পারবে না। ইমাম সাহেব নামাজে দাঁড়ালে কেউ এসে গেলে তাকে তো আর বের করে দিতে পারবে না। তবে ইমাম সাহেবরা মুসুল্লিদেরকে সরকারের নির্দেশনা শুনিয়ে দিবেন, সতর্ক করবেন।

কুমিল্লার দারুল উলুম সুধন্যপুর মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক ও বিশিষ্ট মুফাচ্ছির আল্লামা মুফতী মুসতাকুন নবী বলেন, জাতীয়ভাবে মসজিদে না যাওয়ার কারণে আল্লাহ তাআলা আমাদের ওপর এই আজাব দিয়েছেন। মসজিদ আল্লাহর ঘর। মসজিদ রহমত নাযিল হওয়ার একমাত্র ঠিকানা। মসজিদ থেকে সমাজে রহমত বন্টন হয়। মসজিদ মানবতার মুক্তির ঠিকানা, নাজাতের ঠিকানা, কল্যাণের ঠিকানা, বরকতের ঠিকানা। মসজিদ জমিনের শ্রেষ্ঠ স্থান।

জন্মের পর বালেগ হওয়া থেকে প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য ছিলো মসজিদে যাওয়া। কিন্তু আমরা যাইনি। এখন আজাবের ভয়ে কেউ যখন যেতে চাইবে তখন আর যেতে পারবে না। যখন আহ্বান করা হয়েছিলো মসজিদে যাওয়ার জন্য তখন না যাওয়া ছিলো মসজিদের প্রতি অকৃতজ্ঞতা। আর সেই কারণে এখন আল্লাহর পক্ষ থেকে এই ফয়সালা হয়েছে। এখন মসজিদে যেতে না পারাও আজাবের অংশ।

  • এই অবস্থায় সবার উচিত হবে বেশি বেশি তাওবা ইস্তেগফার করা, তাসবীহ-তাহলীল করা, ঘরে নামাজ পড়া। সবাইকে সরকারী নির্দেশনা মানতে হবে। সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। যথা সম্ভব নিজেকে লোক সমাগম থেকে দূরে রাখতে হবে। বিশেষ করে অসুস্থতা অনুভব করলে সতর্ক থাকতে হবে। তাওবা ইস্তেগফারের পাশাপাশি বেশি বেশি নফল ইবাদাত করতে হবে। নফল নামাজ পড়তে হবে, কোরআন তেলাওয়াত করতে হবে।

সম্ভব হলে ঘরেও নামাজের জামাত কায়েম রাখতে হবে। পরিবারে সদস্যরা মিলে, দু’তিনজন মিলে জামাতে নামাজ আদায় করার চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ তাআলার কাছে রোনাজারি করে পাপ মুক্তি আদায় করে আজাব থেকে পরিত্রাণ চাইতে হবে। একমাত্র আল্লাহ তাআলাই আমাদেরকে এর থেকে হেফাজত করতে পারেন।

রাজধানীর ফকিরাপুল মিছবাহুল উলূম কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান আল-মাদানী বলেন, আল্লাহর রাসূলের আমলেও যদি ঠান্ডা লাগতো বা বৃষ্টি হতো বিলাল রা.কে বলে দিতেন তিনি যেন ঘোষণা দেন- ‘সাল্লু রিহালিকুম’।

এখন যে মহামারী শুরু হয়েছে তাতে আরো বেশি জরুরি এবং উত্তম হলো ঘরে নামাজ পড়া। রাসূল সা. বলেছেন, মহামারী এলাকায় প্রবেশ করো না, এর থেকে পালিয়ে যাও। ছোঁয়াচে বা সংক্রমণ রোগ থেকে দূরে থাকা জরুরি। লোকসমাগম গিয়ে যদি আক্রান্ত হয় তখন ঈমানে আরো দূর্বলতা আসবে। সুতরাং এই মুহুের্তে সতর্কতা অবলম্বন করাই উত্তম।

তিনি আরো বলেন, ইমাম সাহেবগণ আশপাশের লোকজন নিয়ে নামাজ পড়বেন। বাকী মুসুল্লিদের বুঝিয়ে দিবেন, সতর্কতা জানাবেন।

  • আর এখন আরেকটা বিষয় হলো স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাত মুখ ধোয়া ছাড়া মুখে হাত দিবেন না। আর নামাজে আমরা হাত রাখি, কপাল রাখি, নাক রাখি জমিনে। যেখানে অনেকেই নামাজ পড়ে থাকে। এমন জায়গায় জীবানু থাকতে পারে। এজন্য সালাত আদায়ের পরে মুনাজত করে দুই হাতে মুখ মাসেহ করাটাও এখন সতর্কতার সাথে এড়াতে হবে।

এ ব্যাপারে রাজধানীর দারুন নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আ.খ.ম আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এ ব্যাপারে দেশের বড় বড় ওলামায়ে কেরাম বক্তব্য বিবৃতি দিয়েছেন। সবার জন্য সেটা অনুসরণ করাই জরুরি বলে আমি মনে করি।

/এসএস/পাবলিকভয়েস/

মন্তব্য করুন