ক্রেতাশূন্য বাজার, দাম কমেছে পেঁয়াজ-ডিম-মুরগির

প্রকাশিত: ৫:৫৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৭, ২০২০

বাজারে ক্রেতা না থাকায় দাম কমাশুরু করছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের । প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আতঙ্কে দেশে অনেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মজুদ করেছেন। ফলে গত সপ্তাহে বাজারগুলোতে দাম বেড়েছিল পেঁয়াজ, রসুন, আলু, মুরগি, ডিমসহ অনেক পণ্যের। কিন্তু বাজারে ক্রেতা না থাকায় এখন আবার এসব পণ্যে দাম কমতে শুরু করেছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে প্রায় অর্ধেক। বর্তমানে মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা।

দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। তবে আমদানি করা রসুন কেজি প্রতি আগের দাম অর্থাৎ ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অপরিবর্তিত রয়েছে আদার দামও। বর্তমানে প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর মানুষ আতঙ্কে বেশি বেশি করে পেঁয়াজ কিনেছে। ফলে দাম বেড়ে যায় পণ্যটির। তবে এখন ক্রেতা না থাকায় এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানের পর পণ্যটির দাম কমে অর্ধেক হয়েছে।

পেঁয়াজ-রসুনের পাশাপাশি দাম কমেছে গোল আলুর। বাজারে বর্তমানে মানভেদে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকা। গত সপ্তাহেই এই আলু বিক্রি হয়েছে ২৫ থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে।

এ ছাড়া দাম কমেছে মুরগি ও ডিমের। গত সপ্তাহে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগি এখন বাজার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা। ফার্মের মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা ডজন। যা গত সপ্তাহে ছিল ১২০ টাকা। সাদা ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ১১০ টাকা।

মুরগি ব্যবসায়ীরা জানান, করোনাভাইরাসের আতঙ্কে মানুষ প্রচুর পরিমাণে মুরগি কিনে বাসায় মজুদ করেছে। ফলে এখন আর কেউ মুরগি কিনছে না। যার কারণে দাম কমতে শুরু করেছে। এভাবে চলতে থাকলে দাম আরো কমবে।

মুরগির ডিমের দাম কমলেও বাজারে সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শশা ২০ থেকে ৩০ টাকা, টমেটো ২০ থেকে ৪০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, গাজর ২০ থেকে ৩০ টাকা, বরবটি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শালগম ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শিম ৪০ থেকে ৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি সাইজের লাউ বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা।

এমএম/

মন্তব্য করুন