আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাব্যুনালে ব্যারিস্টার সুমনের পদত্যাগত্র গ্রহণ

প্রকাশিত: ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২৭, ২০২০

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বিশিষ্ট আইনজীবি ও সমাজকর্মী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে আইনমন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাব্যুনাল সচিবালয় ব্যারিস্টার সমুনের পদত্যগপত্র গ্রহণ করে তাকে অব্যহতি প্রদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিষয়টি পাবলিক ভয়েসকে নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

গত ১১ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাব্যুনালের সহকারী সচিব মোঃ আব্দুছ ছালাম মন্ডল স্বাক্ষরিত নোটিশে ব্যারিস্টার সুমনের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে অব্যহতি প্রদানের কথা জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাব্যুনাল এর চীফ প্রসিকিউটর কার্যলয় কর্তৃক প্রসিকিউটর জনাব সৈয়দ সায়েদুল হক (সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদা) এর দাখিলকৃত পদত্যাগপত্রের প্রেক্ষিতে অত্র মন্ত্রণালয় পূর্ব ঘোষিত নিয়োগ আদেশ বাতিল পূর্বক তার পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে।

এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, পদত্যাগপত্র গ্রহন করে আমাকে অব্যহতি প্রদানের জন্য আইন মন্ত্রনালয় ও মাননীয় চিফ প্রসিকিউটরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। একজন প্রসিকিউটর হিসাবে পথ চলাটা অনেক আনন্দের, অভিজ্ঞতা অর্জনের ও গর্বের ছিলো।

এসময় করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে সুমন বলেন, করোনার মতো জাতীয় দুর্যোগের সময়ে সবাই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবেন এবং অবশ্যই ঘরের ভিতর থাকবেন- সবার কাছে এই প্রত্যাশা করছি।

এর আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার প্রসিকিউটর পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন ব্যারিস্টার সুমন।

কেন পদতাগ করছেন জানাতে চাইলে সুমন বলেন, সুমন বলেন, ইদানিং অনেক সামাজিত কাজের সাথে আমি জড়িয়ে গেছি। এখন দেখা যাচ্ছে ট্রাইব্যুনালের মতো রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। এখানে যে লেভেলের নিষ্ঠার সাথে সময় দেয়ার কথা আমি সেটা পারছি না। এ অবস্থায় সরকারের কোষাগার থেকে বেতন নেয়া আমার কাছে অনৈতিক মনে হয়। আর আমি যেহেুতু ন্যায়ের কথা বলি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলি সুতরাং আমার এ পদে থাকা উচিত না।

সংশ্লিষ্ট খবর:
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে ব্যারিস্টার সুমনের পদত্যাগ

সুমন বলেন, যেহেতু আমি বাইরে সময় দিচ্ছি, যেহেতু আমি অন্যান্য জায়গায় সময় দিচ্ছি, ট্রাইব্যুনালে সময় দিতে পারছি না সুতরাং আমি এভাবে বসে বসে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন নিতে পারি না, সেজন্য আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

/এসএস

মন্তব্য করুন