ময়মনসিংহে গোডাউন পুড়ে ছাই: পবিত্র কোরআন-জায়নামাজ অক্ষত

প্রকাশিত: ৬:৩৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩, ২০১৯

ময়মনসিংহের নান্দাইল পৌর সদরের চণ্ডীপাশা স’মিল এলাকায় আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির গোডাউনসহ ছয়টি ঘর অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়েছে। তবে পুড়ে যাওয়া গোডাউনে পবিত্র কোরআন শরীফ পাওয়া গেছে অক্ষত অবস্থায়। জ্বলন্ত সেই অগ্নিকাণ্ডে পুড়েনি কোরআন শরীফের একটি হরফও। সেই সঙ্গে অক্ষত পাওয়া গেছে দুইটি জায়নামাজ।

সোমবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। এতে কেউ হতাহত না হলেও ১৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ খবর ছড়িয়ে পড়ে নান্দাইলের সর্বত্র। তা নিজ চোখে দেখার জন্য উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকার লোকজন এসে ভিড় জমাচ্ছেন অগ্নিকাণ্ডের স্থানে।

মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহম্মদ আবদুর রহিম সুজন, পৌর মেয়র রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া ও থানার ওসি মনসুর আহম্মদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, ভোররাতে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির গোডাউনসহ ফাহিম ভিলা নামে একটি বাসার ছয়টি ঘর পুড়ে যায়। বাসার ভিতরে ঘুমন্ত অবস্থায় লোকজনদের বের করতে পারলেও আগুন বিশালাকারে ছড়িয়ে পড়ায় ঘরের আসবাবপত্র-মালামাল বের করা সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

কোম্পানির গোডাউনে মশার কয়েল থেকে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে তারা অনুমান করছেন।

টোব্যাকো কোম্পানির প্রতিনিধি আল মামুন জানান, গোডাউনে কোম্পানির বিড়ি, সিগারেট ও ম্যাচ থাকলেও কোনো লোকজন ছিল না। বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে।

ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার রুবেল মিয়া জানান, এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

/এসএস

মন্তব্য করুন