৩৪ খাল উদ্ধার; গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৩,৫০০ স্থাপনা

প্রকাশিত: ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৯, ২০১৯

চট্টগ্রাম মহানগরীর পানিবদ্ধতা নিরসনে মেগা প্রকল্পের আওতায় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে ৩৪টি খাল উদ্ধার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৩০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

আগামী বছর প্রকল্প শেষ হলে পানিবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন বিগ্রেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-সিডিএ’র প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী আহমদ মঈন উদ্দিন পানিবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে জানিয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পাশাপাশি ৪০টি কালভার্ট তৈরীসহ ২০ কি.মি. রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে।

‘চট্টগ্রাম শহরের পানিবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১৭ সালের ৯ আগস্ট একনেক সভায় উপস্থাপিত হলেও তা কতিপয় শর্ত পূরণ করে ডিপিপি পুনর্গঠন সাপেক্ষে অনুমোদন করা হয়।

শর্তসমূহ পূরণ করে ডিপিপি পুনর্গঠন করে উপস্থাপন করা হলে ২০১৮ সালের ৬ মার্চ প্রকল্পটি একনেক অনুমোদনের পর একই বছরের ১৯ মার্চ প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া যায়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল সিডিএ’র সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

চট্টগ্রাম শহরের পানিবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৭ সালের জুলাই হতে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত। প্রকল্প ব্যয় ৫ হাজার ৬১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বরাদ্দের মধ্যে ১৭-১৮ অর্থবছরে ১১৫ কোটি টাকা, ১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৫০ কোটি টাকা, ১৯-২০ অর্থবছরে ৫০০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। এরমধ্যে চলতি অর্থবছরে ১২৫ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে।

আই.এ/

মন্তব্য করুন