সৌদি পুলিশের হেফাজতে নির্যাতনের শিকার সেই সুমি

প্রকাশিত: ১২:২০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৯

সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মী সুমি আক্তারকে তার কর্মস্থল থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে সেখানকার পুলিশ। সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে তাকে জেদ্দার দক্ষিণ-দক্ষিণে নাজরান এলাকার কর্মস্থল থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়। গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এর আগে রাতে এ বিষয়ে সুমির স্বামী নুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, আমার সঙ্গে আজ দুপুরে একবার কথা হয়েছে সুমির। সে সময় সুমি বলেছে, তাকে নেওয়ার জন্য সৌদি পুলিশ আসবে। পরে রাতে ৮টার দিকে আবার কথা হলে সুমি জানায়, কিছু সময়ের মধ্যে পুলিশ এসে আমাকে নিয়ে যাবে। এখন আর ফোন দিয়েন না।

গত ৩০ মে সুমি ‘রূপসী বাংলা ওভারসিজ’র মাধ্যমে সৌদি আরব যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই স্বজনদের কাছে তার ওপর নির্যাতনের ঘটনা বলতেন সুমি। দালালরা বিদেশে পাঠানোর কথা বলে তাকে যে বিক্রি করে দিয়েছে সে কথা জানতেন না সুমি। সৌদি যাওয়ার সপ্তাহখানেক পর থেকে শুরু হয় তার ওপর মারধর, যৌন হয়রানিসহ নানা নির্যাতন। সুমি আক্তার পঞ্চগড় জেলার বোদা সদর থানার রফিকুল ইসলামের মেয়ে। দুই বছর আগে আশুলিয়ার চারাবাগের নুরুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

সম্প্রতি ফেসবুকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের ওপর পাশবিক নির্যাতনের কথা বলে সুমি তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানান। পরে ভিডিওটি ভাইরাল হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর হওয়ার পর  পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম সুমিকে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। পরে সৌদি আরবে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের কার্যালয় থেকে কর্মকর্তারা তার (সুমি) সঙ্গে কথা বলেন। এরপরই তাকে হেফাজতে আনার প্রক্রিয়ায় যায় সৌদি পুলিশ।

আই.এ/

মন্তব্য করুন