১৮ বছর বয়সে ১৪শ হত্যা, অভিযোগ অস্বীকার আজহারের

প্রকাশিত: ১২:১২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২, ২০১৯

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন,  আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তার সাথে আমার দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই। আমি কোনো অন্যায় করিনি। ১৯৭১ সালে আমার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। এ বয়সের তরুণ ১৪০০ মানুষকে হত্যা করেছে তা পাগলেও বিশ্বাস করবে না। অথচ এ ধরনের একটি মিথ্যা কাহিনী আমার বিরুদ্ধে রচনা করে আমাকে যে সাজা দেয়া হয়েছে তা আমার ওপর চরম জুলুম ছাড়া আর কিছুই নয়।

কাশিমপুর কারাগারে এ টি এম আজহারের সাথে গতকাল তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি টিম সাক্ষাৎ করলে তিনি একথা জানান।  তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ এবং মানসিকভাবে অনেক দৃঢ় আছেন। লিখিত রায় পাওয়ার পর আইন মোতাবেক তিনি আইনজীবীদের রিভিউ আবেদন দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতের চারজন বিচারপতির মধ্যে একজন বিচারপতি এ রায় সম্পর্কে দ্বিমত পোষণ করেছেন। এতেই প্রমাণিত হয় এটি একটি প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত রায়। এ দেশের জনগণের বিবেকের কাছে আমার প্রশ্ন ৭ কিলোমিটার এবং ৩ কিলোমিটার দূর থেকে দেখা ঘটনার সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে ফাঁসির এ রায় দেয়া কী আমাকে হত্যার নামান্তর নয়? তিনি ভীত না বিচলিত নন জানিয়ে আইনজীবীদের জানান, যদি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয় সেটি হবে শহীদি মৃত্যু। দেশবাসীকে সালাম জানিয়েছেন ও তার জন্য দোয়া করতে বলেছেন।

তিনি বলেন, সরকার ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের ধারাবাহিকভাবে হত্যা করছে। কোনো রকমের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ পর্যন্ত করতে দিচ্ছে না। দমন-নিপীড়ন চালিয়ে গোটা দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। দেশে আইনের শাসন ও গণতন্ত্র বলতে কোনো কিছুই আর অবশিষ্ট নেই।

এ অবস্থায় কোনো দেশ চলতে পারে না। ঐক্যবদ্ধভাবে সরকারের জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় গ্রেফতারকৃত সব নেতাকর্মীকে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

আই.এ/

মন্তব্য করুন