৭ ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া ও ৫০ জেহাদিকে হত্যার দাবি ভারতীয় গণমাধ্যমের

প্রকাশিত: ৮:০২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০১৯
ছবি সংগৃহীত

৭ ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়াসহ পাকিস্তানের ৫০ জন জেহাদি সদস্যকে হত্যার দাবি করে খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা নিউজ। আজ বুধবার এ খবর প্রকাশ করে সংবাদ মাধ্যমটি। 

গণমাধ্যমটির খবরে বলা হয়, ‘গত কয়েকদিন আগে ফের ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ চালায় ভারতীয় সেনা। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জেহাদিদের একাধিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নীলম ভ্যালিতে ওই জেহাদিঘাঁটিগুলো ছিল বলে জানা গিয়েছে। তাংধার সেক্টরের বিপরীতেও জেহাদিঘাঁটিতে টার্গেট করা হয়েছে বলে জানা যায়। যদিও ভারতীয় সেনার কড়া প্রত্যাঘাতে কতগুলি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।

ভারতের বেশ কয়েকটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয় যে, চার থেকে পাঁচটি জেহাদি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। রিপাবলিক টিভি এই বিষয়ে একটি সুপার এক্সক্লুসিভ খবর করেছে। যেখানে তারা দাবি করছে, অধিকৃত কাশ্মীরে অন্তত ৭টি জেহাদি ঘাঁটি একেবারে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। শুধু তাই নয়, ভারতীয় সেনার এই প্রত্যাঘাতে ৫০ জন পাক জেহাদিকে হত্যা হয়েছে বলে দাবি করেছে ওই সংবাদমাধ্যম। তবে এই বিষয়ে ভারতীয় সেনার তরফে কোনও কিছু এখনও পর্যন্ত জানানো হয়নি।

খবরে বলা হয়েছে, ‘অন্যদিকে এই ঘটনার আগে অর্থাৎ রবিবার সকালেই পাক সেনার শেলিংয়ে নিহত হন দুই ভারতীয় সেনা। এক সাধারণ নাগরিকেরও মৃত্যু হয়। এরপরই কার্যত বদলা নেয় ভারতীয় সেনা। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে এই সমস্ত জেহাদি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা।’

জানা গিয়েছে পাক সেনা সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করায় কাশ্মীরের একটি বাড়ি, একটি রাইস মিল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ধূলিস্যাৎ হয়ে গিয়েছে একট গোশালা, যার ভিতরে ১৯টি গবাদি পশু ছিল বলে জানা গিয়েছে। মূলত চিত্রকূট গ্রামে সর্বাধিক ক্ষতি হয়েছে। পাকিস্তানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওই গ্রামের ছ’টি বাড়ি।

ভারতীয় সেনার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দুই ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পর ভারতীয় সেনা পাকিস্তানে জেহাদি ঘাঁটি লক্ষ্য করে গুলি করে। রবিবার ভোর ৪ টে থেকে পাকিস্তানের তরপে ভারতীয় সেনা ক্যাম্প লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ শুরু হয়। সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ফের একবার পাকিস্তানি হানা চলে ভারতে। যার ফলে শহিদ হন ২ ভারতীয় সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয় এক সাধারণ নাগরিকের। এরপর থেকেই ভারত পাল্টা জবাব দিতে থাকে।

ইসমাঈল আযহার/পাবলক ভয়েস

মন্তব্য করুন