রিশা হত্যায় ঘাতক ওবায়দুলের মৃত্যুদণ্ড!

প্রকাশিত: ৫:২০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০১৯

রাজধানীর কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থী সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যা মামলায় একমাত্র আসামী ওবায়দুল হককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি আসামীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েস এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি ওবায়দুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত রোববার রায় ঘোষণা করার কথা ছিলো। গত ১১ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য করেন। পরে রোববার বিচারপতি ইমরুল কায়েস রায় ঘোষণার জন্য আজ বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট দুপুরে কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের সামনের ফুটওভার ব্রিজে রক্তাক্ত অবস্থায় রিশাকে উদ্ধার করা হয়। স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ আগস্ট সকালে রিশার মৃত্যু হয়।

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রিশাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ঘাতক ওবায়দুল হক। তিনি রাজধানীর ইস্টার্ন মল্লিকা শপিংমলের বৈশাখী টেইলাসের কর্মচারী ছিলেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট দুপুরে রিশাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ আগস্ট সকালে রিশার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রিশার মা তানিয়া রাজধানীর রমনা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর আঘাতের অভিযোগে একটি মামলা করেন। আর রিশার মৃত্যুর পর তাতে হত্যার অভিযোগে ৩০২ ধারা যুক্ত হয়।

মামলা দায়েরের পর ওই বছরের ৩১ আগস্ট নীলফামারী থেকে আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর রমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক আলী হোসেন ঘাতক ওবায়দুলকে একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন।

২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠনের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করেন আদালত। গত ২৫ আগস্ট আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন আসামি ওবায়দুল।

মামলায় চার্জশিটভুক্ত ২৬ জনের মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। মামলার একমাত্র আসামি ওবায়দুল গ্রেফতারের পর থেকেই কারাগারে রয়েছেন।

/এসএস

মন্তব্য করুন