ট্রেনে উঠার ভোগান্তি নিয়ে ব্যারিস্টার সুমনের লাইভ

প্রকাশিত: ১০:১৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০১৯

যাত্রাপথে দূরত্বের ক্লান্তি আর দীর্ঘ সময় যানজটে বসে থাকার বিড়ম্বনা থেকে বাঁচতে বাসে না চড়ে ট্রেনকে বিকল্প বাহন হিসেবে গ্রহণ করে নগরবাসী। অন্তত যানজটের কবল থেকে মুক্ত থাকা যায় ট্রেন ভ্রমণে। কিন্তু এই ট্রেনে উঠতে অনেক সময় রীতি মতো যুদ্ধ করা লাগে। স্টেশনে সামান্য সময়ের জন্যই থামে চলন্ত ট্রেন। খুব দ্রুতই আবার ছেড়ে যায় প্লাটফর্ম।

দ্রুত সময়ে ট্রেনে উঠতে গিয়ে সবচে বেশি বিপত্তিতে পড়তে হয় নারী, শিশু, বয়স্ক অসুস্থ যাত্রীদের। অধিকাংশ ট্রেন প্লাটফর্ম থেকে অনেকটা উঁচু হয়ে থাকে। ফলে তিন থেকে চার ধাপ সিড়ি বেয়ে ট্রেনে উঠতে হয়। এখানেই নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিড়ম্বনার কারণ। দ্রুততা, বয়সের কারণে দূর্বলতা, প্রয়োজনীয় মালামালের বোঝা ও ব্যাগপত্রের কারণে ট্রেনে উঠতে গিয়ে অনেক সময় দূর্ঘটনার শিকার হন যাত্রীরা। এসব বিষয় নিয়েই এবার লাইভে এসেছেন বিশিষ্ট আইনজীবি ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

ব্যারিস্টার সুমন, রেলমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দিন দিনি সব কিছু আধুনিকায়ন হচ্ছে। রেলের উন্নতি হচ্ছে কিন্তু প্লাটফর্মের এই বিষয়টা নিয়ে চিন্তু করুন। প্লাটফর্মের উচ্চতা ট্রেনের সাথে সামাঞ্জস্যতা আনার চেষ্টা করুন। তিনি বলেন, এটা হয়তো রাতারাতি পরিবর্তন হবে না কিন্তু এই চিন্তাটা মাথায় আনুন।

ব্যারিস্টার সুমন এসময়, উপস্থিত যাত্রীদের ট্রেনে উঠিয়ে ট্রেনে উঠার কষ্টকর কসরত দেখান। এসময় এক মহিলা যাত্রীকে ট্রেনি উঠালে তার মন্তব্য জানতে চাইলে মহিলা যাত্রী বলেন, প্লাটফর্ম উঁচু করে দিলে উঠতে সুবিধা হতো। এখন খুব কষ্ট হয়। এসময় অনেক কৌতুহলী যাত্রীরাও সায় দেন তার কথায়।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, প্লাটফর্ম থেকে ট্রেনে উঠা রীতিমতো বেইজ্জতি হওয়ার মতো। বউ বাচ্চা ও বৃদ্ধা মা-বাবা নিয়ে ট্রেনে উঠতে গেলে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। সুমন বলেন, দেশের সেন্ট্রাল রেলস্টেশন কমলুপুরের এই অবস্থা। গ্রাম-গঞ্জের স্টেশনগুলোতে কঠিন যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি। তিনি বলেন, আমি জানি না যারা রেলে কর্মরত আছেন তারা এইভাবে রেসের মধ্যে পরিবার নিয়ে উঠেছেন কিনা। উঠলে মানুষের কষ্টটা বুঝতে পারতেন।

/এসএস

মন্তব্য করুন