১২ বছর ধরে দাড়ানো পিলার, সম্পন্ন হয়নি ব্রিজের কাজ

প্রকাশিত: ১:২৯ অপরাহ্ণ, জুন ২৯, ২০১৯

বাংলাদেশের আনাচে/কানাচে অনিয়মই যেন নিয়ম হয়ে আছে অসংখ্য জায়গায়। যেখানেই এসব অনিয়মের খবর পাচ্ছেন সাধ্যমতো সেখানেই ছুটে যাচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর জনপ্রিয়তা পাওয়া সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

সমস্যার জায়গায় গিয়ে অনেকটাই মিশে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষদের কাতারে। নেমে পড়ছেন কাদাপানিতে।

আজ শনিবার তিনি ফেসবুক লাইভে দেখিয়েছেন একটি অসম্পূর্ন ব্রিজ। ছুটির দিনে বাড়িতে থেকে তিনি বসে ছিলেন না নিজের কাজে। ছুটে গিয়েছেন হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার জগদিশপুর ইউনিয়নের ভাটুরা গ্রামে। যেখানে একটি খালের ওপর গত ১২ বছর ধরে ব্রিজের পিলার দাড়িয়ে আছে কিন্তু ব্রিজের কাজ সম্পন্ন হয়নি। জনগণের ভোগান্তির যেন শেষ নেই কোনো। খালের দুইপাশের গ্রামের হাজার হাজার মানুষ বাঁশের সাকো বানিয়ে তার ওপর দিয়ে আসা-যাওয়া করে তারা।

এসব অনিয়মকে অভিশপ্ত আখ্যা দিয়ে তিনি বলেছেন, এভাকে চোখ কানে পর্দা লাগিয়ে থাকার কোনো যুক্তি নাই। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় এই ব্রিজের কাজ শুরু করে ৫০ পার্সেন্টের বেশি কাজ সম্পন্ন করেও গত বারো বছর ধরে এভাবে ব্রিজ ফেলে রাখার কোনো যুক্তি থাকতে পারে না। তাই ব্যারিস্টার সুমন দাবি জানিয়েছেন, যে কেনো ভাবেই হোক এই ব্রিজের কাজ যেন শেষ করা হয় এবং জনগণের ভোগান্তি দুর করা হয়।

প্রসঙ্গত : ব্যারিষ্টার সায়েদুল হক সুমন তার কাজের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই পরিচিতি পেয়েছেন। সারাদেশে ঘুরে ঘুরে তিনি অসঙ্গতিগুলো চোখের সামনে নিয়ে আসছেন সবার। বেশ কিছু সমস্যারও সমাধান করিয়েছেন তিনি। পুরান ঢাকায় এক ময়লার ভাগাড় নিয়ে লাইভ করে সেটিকে সরানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। যেন এ সকল অসঙ্গতি ব্যারিষ্টার সুমনের চোখেই পড়ছে। দেশের একজন প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী যিনি কি না বসে থাকার কথা কোনো এসি রুমে বা আদালতপাড়ায় সেই তিনি যেখানেই কোনো অসঙ্গতি দেখেন সেখানেই নিজ থেকেই এর ব্যাপারে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে ভূমিকা রাখেন। তার এইসব কাজ যুব সমাজকে প্রচুরভাবে উদ্বুদ্ধ করছে সামাজিক কাজকর্মসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করতে। নিজ উদ্যোগে তারা অনেকেই এখন এসব কাজ করছেন সারাদেশে।

আরও পড়ুন : ব্যারিস্টার সুমনের রিটে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি নিষিদ্ধ করলো আদালত

মন্তব্য করুন